kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

সবিশেষ

চাঁদের মাটিতে গজাল গাছ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদের মাটিতে গজাল গাছ

প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটিতে গাছের চারার জন্ম দিলেন বিজ্ঞানীরা। তবে সরাসরি চাঁদের বুকে নয়, চাঁদ থেকে নিয়ে আসা ধুলামাটি ক্ষুদ্র পাত্রে রেখে তাতেই বীজ থেকে গাছ বড় করে তুলছেন তাঁরা।

অ্যাপোলো অভিযানে চাঁদের কিছু মাটি পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিলেন মার্কিন নভোচারীরা। তার মধ্যেই গজানো হলো গাছের চারা।

বিজ্ঞাপন

যুগান্তকারী এ পরীক্ষাটির বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার কমিউনিকেশন বায়োলজি জার্নালে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে।

সফল এই পরীক্ষার মধ্য দিয়ে মহাকাশবিজ্ঞানীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে যে একদিন হয়তো সরাসরি চাঁদের মাটিতেই উদ্ভিদ তথা ফসল ফলানো সম্ভব হবে। তা করা গেলে ভবিষ্যতে মহাকাশ অভিযানের জটিলতা ও খরচ কমে আসবে। চাঁদের ঘাঁটি থেকে খাবারের সংস্থান ও সরঞ্জামের সহায়তা পেলে আরো দীর্ঘ ও দূরের অভিযানে হাত দেওয়া সম্ভব হবে।

তবে গবেষণাটি চালানো ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এখনো এ প্রসঙ্গে বিস্তর গবেষণা বাকি। এ নিয়ে কোনো দিক থেকে সন্দেহের অবকাশ রাখতে চান না বলেও উল্লেখ করেছেন তাঁরা।

মার্কিন মহাকাশ সংস্থার নাসার প্রধান বিল নেলসর এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘এই গবেষণা নাসার দীর্ঘমেয়াদি মানববাহী অভিযান লক্ষ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যৎ দূর মহাকাশের অভিযানে নভোচারীদের বেঁচে থাকার জন্য আমাদের চাঁদ ও মঙ্গলে থাকা সম্পদ ব্যবহারের প্রয়োজন হবে। ’

এ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা মাত্র ১২ গ্রাম চাঁদের মাটি ব্যবহার করেছেন। ছোট একটি পাত্রে ওই মাটি রেখে তাতে পানি দিয়ে বীজ বপন করা হয়। চারার জন্য প্রতিদিন কিছু পুষ্টিসমৃদ্ধ দ্রবণ প্রয়োগ করার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল।

গবেষণার জন্য ‘আরোবিডোপসিস থালিয়ানা’ নামের উদ্ভিদ বেছে নিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। কারণ এটি সহজে বেড়ে ওঠে, আর এ নিয়ে গবেষণাও হয়েছে ব্যাপক। উদ্ভিদটির জেনেটিক কোডিং প্রতিকূল পরিবেশে, এমনকি মহাকাশেও কী প্রতিক্রিয়া দেখায়—তা আগে থেকেই জানা ছিল বিজ্ঞানীদের। সূত্র : এএফপি।



সাতদিনের সেরা