kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

সেই নৌকার ২৮৭ যাত্রীর ২৭৩ জনই ছিলেন বাংলাদেশি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৯ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেই নৌকার ২৮৭ যাত্রীর ২৭৩ জনই ছিলেন বাংলাদেশি

অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যাওয়ার সময় ঠাণ্ডায় নিহত সাত বাংলাদেশির নৌকায় যাত্রী ছিলেন ২৮৭ জন। আর তাঁদের মধ্যে ২৭৩ জনই ছিলেন বাংলাদেশি। বাকি ১৪ জন মিসরীয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাস গতকাল শুক্রবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ দূতাবাস গত ২৫ জানুয়ারি জানতে পারে, সাত বাংলাদেশি দীর্ঘ সময় তীব্র ঠাণ্ডায় থাকার ফলে ‘হাইপোথার্মিয়া’য় মারা গেছেন। এরপর দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি কাতানিয়া ও পালেরমোতে বাংলাদেশের অনারারি কনসালদের মাধ্যমেও প্রকৃত তথ্য অনুসন্ধান ও করণীয় নির্ধারণে কাজ করছে। দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম কল্যাণ) মো. এরফানুল হকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ২৬ জানুয়ারি লাম্পেডুসা পৌঁছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঠাণ্ডায় যে সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে তাঁরা বাংলাদেশি।

কাউন্সেলর হক ২৭ জানুয়ারি লাম্পেডুসার ডেপুটি মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। গতকাল শুক্রবার তিনি ইতালির কোস্ট গার্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, সাতটি মরদেহ দেশে আনা বা দাফনের আগ পর্যন্ত সিসিলি প্রদেশের এগ্রিজেন্তো এলাকার মর্গে রাখা যাবে। মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। মরদেহ দেখার জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় দূতাবাস গতকাল পর্যন্ত সেগুলো দেখতে পারেনি। দূতাবাস অসাধু মানবপাচারকারীচক্র থেকে সাবধান থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

চলতি বছর প্রচণ্ড শীতের মধ্যেও হাজারো অভিবাসনপ্রত্যাশী ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপের উদ্দেশে প্রাণঘাতী যাত্রা করছে। সাধারণত শীতের সময় অভিবাসীদের এই যাত্রা বন্ধ থাকে। ইউরোপের উদ্দেশে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের এই বিপজ্জনক যাত্রা আরো বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইতালির এক কৌশলী জানান, উদ্ধারকৃতদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার পর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং আফ্রিকার উপকূলের কাছাকাছি অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপে স্থানান্তর করা হয়েছে।

 



সাতদিনের সেরা