kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

সবিশেষ

‘মায়ের উপার্জন ভালো হলে সন্তানের মস্তিষ্ক বেশি সক্রিয় হয়’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘মায়ের উপার্জন ভালো হলে সন্তানের মস্তিষ্ক বেশি সক্রিয় হয়’

কম অর্থ উপার্জনকারী প্রসূতি মা ভালো অঙ্কের মাসিক সহায়তা পেলে সন্তানের এক বছর বয়স পূর্তিতে তাদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বেশি দেখা যায়। এর সঙ্গে যুক্ত থাকে চিন্তা ও শিখনের বিষয়টি। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সমীক্ষায় এ কথা বলা হয়েছে।

প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত সমীক্ষাটিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি মার্কিন গবেষণার প্রাথমিক ফলগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দারিদ্র্য বিমোচনের প্রভাব কিভাবে শিখনমূলক আচরণের ওপর প্রভাব ফেলে, তার জবাব খোঁজা হয়েছে ওই গবেষণায়।

গবেষণাটির জ্যেষ্ঠ প্রণেতা কিম্বারলি নোবল বলেন, ‘আমরা অনেক দিন ধরেই জানতাম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে উঠলে শিশুরা স্কুলে খারাপ ফল করা, বড় হয়ে কম উপার্জন করা ও ভগ্নস্বাস্থ্য হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। তবে এত দিন জানা ছিল না, সরাসরি আর্থিক অনটনই এর কারণ, না দারিদ্র্যের সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য সাধারণ বিষয় এর জন্য দায়ী। এবারই কোনো গবেষণায় প্রথম দেখা গেল যে দারিদ্র্য হ্রাস করা গেলে তা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে অবদান রাখে। কিম্বার্লি নোবল ও তাঁর দল ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি বড় শহরে এক হাজারজন কম অর্থ উপার্জনকারী মা ও তাঁদের নবজাতকদের নিয়ে এ গবেষণা শুরু করে। তাঁরা কিছুসংখ্যক মায়ের জন্য নামমাত্র ২০ ডলার ও কারো কারো জন্য ৩৩৩ ডলার বরাদ্দের একটি ব্যবস্থা করেন। শিশুগুলোর বয়স এক বছর পূর্ণ হলে গবেষকরা তাদের বাড়িতে যান। শিশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্রম পরিমাপের জন্য বিশেষ একটি ইইজি মেশিন নিয়ে যান তাঁরা। করোনার কারণে এক হাজারের মধ্যে ৪৩৫টি শিশুর বাড়িতে যাওয়া সম্ভব হয়। তাঁরা শিখনের সঙ্গে যুক্ত মস্তিষ্কের ক্রিয়ার ক্ষেত্রে ওই শিশুদের মধ্যে ব্যাপক তফাত দেখতে পান। দেখা যায়, যেসব মাকে বেশি অর্থ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের সন্তানদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বেশি। সূত্র : এএফপি



সাতদিনের সেরা