kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

উচ্ছেদের পর বসিলায় খাল খনন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



উচ্ছেদের পর বসিলায় খাল খনন শুরু

মোহাম্মদপুরের বসিলা এলাকার লাউতলা খাল ও রামচন্দ্রপুর খাল পুনরুদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। গতকাল খালের জায়গায় থাকা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীতে খাল দখলমুক্ত করতে তিন দিনের অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মোহাম্মদপুরের বসিলায় লাউতলা খাল উদ্ধার কার্যক্রমের শেষ দিনে একটি চারতলা ভবন ও একটি মার্কেটের বাকি অংশ উচ্ছেদ করা হয়। একই সময়ে অন্য প্রান্তে শুরু হয় খাল খননের কাজ।

সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, খাল খননের কাজ চলবে।

বিজ্ঞাপন

খননশেষে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে লাউতলা খালের সংযোগ দেওয়া হবে।

গতকালের উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে যান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এ ছাড়া প্রতিদিনের মতো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

গত রবিবার অভিযানের প্রথম দিনে একটি পাকা ভবন, তিনটি ভবনের আংশিক ভেঙে ফেলা হয়। এ ছাড়া একটি কাঁচা বাজারের অবকাঠামো ও টিনের ছাপড়ায় নির্মিত ৪০টির বেশি টং দোকান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় দিনে অবৈধ ট্রাক স্ট্যান্ড উচ্ছেদসহ বেশ কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। গতকাল উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি শুরু হয় লাউতলা খাল খননকাজ।

উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যাঁরা সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন, তাঁরা স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে সব জায়গায় একটি মেসেজ যাবে, অবৈধভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করে রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। ’

উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘টানা তিন দিনের অভিযানের ফলশ্রুতিতে অস্তিত্বহীন লাউতলা খালটি এখন দৃশ্যমান, স্থানীয় জনগণসহ যাঁদের আন্তরিক সহযোগিতায় অসম্ভব কাজটি সম্ভব হয়েছে, তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বসিলাবাসীর স্বার্থেই প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ লাউতলা খালটিকে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করে এতে পানিপ্রবাহের সৃষ্টি করা হবে। ’

মেয়র আরো বলেন, সেনাবাহিনীর সহায়তায় ডিএনসিসির আওতায় থাকা খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি খালে সীমানা পিলার স্থাপন, ওয়াকওয়ে নির্মাণ ও যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। সব খালের দুই পাশেই নির্ধারিত সীমানায় কমপক্ষে ২০ ফুট পর্যন্ত কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।

গতকাল অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাদেক খান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক ও স্থানীয় কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ।

 



সাতদিনের সেরা