kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

শপথ অনুষ্ঠানে চার ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

রাঙামাটি প্রতিনিধি   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




শপথ অনুষ্ঠানে চার ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলাসহ চারটি হত্যা মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি নবনির্বাচিত চার ইউপি চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে শপথ গ্রহণের পরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তাঁরা হলেন রাঙামাটি সদর উপজেলার কুতুকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কানন চাকমা, নানিয়ারচর উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান অমল কান্তি চাকমা, বুড়িঘাট ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসা ও সাবেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান সুপম চাকমা।

গ্রেপ্তার হওয়া চার চেয়ারম্যানই ইউপিডিএফ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে ‘স্বতন্ত্র’ পরিচয়ে গত ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মীর মোদাছছের হোসেন বলেছেন, ‘গ্রেপ্তারকৃতরা সবাই ২০১৮ সালে নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চত্বরে গুলিতে নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। আমরা তাঁদের গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করেছি। তাঁদের বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলায় ওয়ারেন্ট আছে। ’

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তাপস রঞ্জন ঘোষ বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলাসহ নানিয়ারচর থানায় শান্ত চাকমা ও কোলময় চাকমা হত্যা মামলা, লংগদু থানায় নিরীহ রঞ্জন চাকমা হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। আমরা তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য খুঁজছিলাম। আজ (মঙ্গলবার) এক সঙ্গে তাঁদের পেয়েছি। তবে তাঁরা যেহেতু নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সেহেতু আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, সেভাবেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৩ মে নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা মোটরসাইকেলে নিজ কার্যালয়ে এলে কার্যালয়ের সামনের চত্বরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত। এই ঘটনায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) শীর্ষ কয়েকজন নেতাসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কিছু নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিকে আসামি করে নানিয়ারচর থানায় হত্যা মামলা করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া চার চেয়ারম্যানই ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) বরাবরই প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফকে দায়ী করে আসছে। তবে ইউপিডিএফ সব সময়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

 

 



সাতদিনের সেরা