kalerkantho

বুধবার ।  ২৫ মে ২০২২ । ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩  

বগুড়ার আলোচিত তুফান জামিনে মুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বগুড়ার আলোচিত তুফান জামিনে মুক্ত

তুফান সরকার

বগুড়ায় তিন বছর আগে ছাত্রী ধর্ষণ এবং ওই ছাত্রী ও তার মায়ের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি তুফান সরকার কারাগার থেকে বের হয়েছেন। সর্বশেষ মানি লন্ডারিং আইনের একটি মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে গত ১০ জানুয়ারি বিকেলে বগুড়া কারাগার থেকে বের হন। তবে বিষয়টি এত দিন প্রকাশ্যে আসেনি।

বগুড়া কারাগারের জেলার মহিউদ্দিন হায়দার গতকাল রবিবার দুপুরে কালের কণ্ঠকে বলেন, তুফান সরকারের জামিনের কাগজপত্র ১০ জানুয়ারি বগুড়া কারাগারে এসে পৌঁছে।

বিজ্ঞাপন

এরপর সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তুফান সরকারের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা চলমান। এর মধ্যে আলোচিত ছাত্রী ধর্ষণ এবং ওই ছাত্রী ও তার মায়ের মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার মামলাটি বাদীপক্ষ আদালতে পুলিশের বিরুদ্ধে জোর করে ধর্ষণ মামলা দায়েরের অভিযোগ এনে এফিডেফিট করে। ফলে অনেক আগেই এ মামলায় তুফানের জামিন হয়। তবে ভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোয় তিনি তিন বছর ধরে কারাগার থেকে বের হতে পারেননি। এই সময়ে তিনি মামলায় আদালত থেকে জামিন পান। সর্বশেষ মানি লন্ডারিং আইনে করা একটি মামলায় শুনানি শেষে হাইকোর্ট থেকে গত ৫ জানুয়ারি তুফানের জামিন হয়। এরপর বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে এসংক্রান্ত নথিপত্র ১০ জানুয়ারি বগুড়া কারাগারে এসে পৌঁছে এবং তিনি কারামুক্ত হন। ২০১৭ সালের ২৯ জুলাই সদর থানায় করা মামলার আসামি হিসেবে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল তাঁকে।

তুফান সরকারের বড় ভাই বগুড়া পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল মতিন সরকার বলেন, তুফানের জামিনের পর তিনি বাড়িতে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে অনেক অন্যায় করা হয়েছে। যার কারণে অনেক দেরিতে হলেও আদালত তাঁকে জামিন দিয়েছেন। তাঁরা বরাবরই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অভিযোগগুলো তদন্ত করে আদালত যা রায় দেবেন, সেটাই তাঁরা মেনে নেবেন।

ধর্ষণ ও মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘তুফান সরকারের জামিন হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কারাগার থেকে তিনি বের হয়েছেন এমন তথ্য আমার জানা নেই। ’

 

 



সাতদিনের সেরা