kalerkantho

সোমবার ।  ২৩ মে ২০২২ । ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২১ শাওয়াল ১৪৪৩  

সকালে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, বিকেলে থানায় স্বামীর মৃত্যু

লালমনিরহাট ও হাতীবান্ধা প্রতিনিধি   

৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সকালে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, বিকেলে থানায় স্বামীর মৃত্যু

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সকালে বাড়ি থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের পর বিকেলে পুলিশ হেফাজতে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে। হিমাংশু বর্মণ (৩৪) ও সবিতা রাণী রায় (৩০) নামের ওই দম্পতির বাড়ি উপজেলার ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কাদমা (মালদহ পাড়া) গ্রামে। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

 

পুলিশি নির্যাতনে হিমাংশুর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থাকা হিমাংশুর মরদেহ ঘরে রেখেছিল পুলিশ।

জানা গেছে, গতকাল সকালের দিকে পুলিশ খবর পেয়ে হিমাংশুর শোবার ঘর থেকে তাঁর স্ত্রী সবিতার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। এরপর সকাল ১১টার দিকে হিমাংশুকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশের একটি দল হিমাংশুকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. হিরণ্ময় বর্মণ গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় বলেন, ‘বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। তাঁর গলায় একটি দাগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত তাঁর নাম-ঠিকানা আমাদের জানানো হয়নি। ’

ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন বলেন, ‘সবিতার লাশ উদ্ধারের পর সকাল ১১টার দিকে তাঁর স্বামীকে আটক করে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় শুনতে পেয়েছি সে মারা গেছে। ’

সবিতার মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্বামী হিমাংশুকে থানায় নিয়ে আসার কথা স্বীকার করে হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে হিমাংশুর কাছে কিছু তথ্য পাওয়া যায়। এই অবস্থায় থানার নারী-শিশু হেল্প ডেস্কের কাছে তাঁকে রেখে অফিসাররা খেতে যায়। এই সুযোগে সেখানে থাকা ওয়াইফাইয়ের তার গলায় পেঁচিয়ে জানালার গ্রিলে ঝুলে সেখানে আত্মহত্যা করে হিমাংশু। ’



সাতদিনের সেরা