kalerkantho

শুক্রবার । ৭ মাঘ ১৪২৮। ২১ জানুয়ারি ২০২২। ১৭ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বাঞ্ছারামপুরে কম্বল পেল ১৭ হাজার শীতার্ত

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঞ্ছারামপুরে কম্বল পেল ১৭ হাজার শীতার্ত

দেশের শীর্ষ শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরার উদ্যোগে গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

শীতের শুরুতে অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান কম্বল বিতরণের উদ্যোগ নেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বসুন্ধরা গ্রুপের ট্রেজারার এবং ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে ও দিকনির্দেশনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের সার্বিক সহযোগিতায় ২৩ থেকে ৩০ নভেম্বর (গতকাল) পর্যন্ত ১৭ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

বাঞ্ছারামপুরে বসুন্ধরা গ্রুপ ১০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে ১০৪টি গ্রামে ১৩ হাজার ৫০০, ৯১টি মাদরাসায় তিন হাজার ৪৬২টি ও রাস্তায় ভাসমান মানুষের মাঝে ৩৮টি কম্বল বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া পাশের নবীনগর ও হোমনা উপজেলায় কিছু গ্রামে বিতরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কম্বল পেয়ে অসহায় মানুষ আনন্দিত।

বাঞ্ছারামপুরে দরিদ্রদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

কম্বল বিতরণের জন্য প্রথমে ১৭ হাজার মানুষের তালিকা তৈরি করে তাঁদের হাতে টোকেন তুলে দেন বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা। পরে তাঁরা বিভিন্ন কেন্দ্রে ও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে টোকেন রেখে হাতে কম্বল তুলে দেন। কম্বল বিতরণ কাজে সরাসরি সহযোগিতা করেন বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের ডিজিএম মো. মাইমুন কবির, ব্যবস্থাপক মো. মোশারফ হোসেন, সিনিয়র অফিসার মো. আমির হোসেন আনোয়ার, আনোয়ার হোসেন পিন্টু, মো. জামাল উদ্দিন, মো. রমজান আলী, মো. মজিবুর রহমান, মো. আলমগীর হোসেন, মো. শাহজাহান, মো. কবির হোসেন, মো. ওয়ালী উল্লাহ, মো. শাহিন, মো. বাছির মিয়া প্রমুখ।

কম্বল পেয়ে দুর্গারামপুর গ্রামের কাঞ্চন মিয়ার স্ত্রী আছিয়া খাতুন (৭০) বলেন, ‘শীতের আগেই কম্বল পাইছি। এইবার শীতে ধরত না। বসুন্ধরার হগলের লাইগা দোয়া করি। ’

মোহাম্মদ রশিদ মিয়া (৮০) বলেন, ‘শীতে আমারে অনেক জারে (শীত) ধরে। কম্বল পাইছি। আর আমারে জারে ধরত না। বসুন্ধরার মালিকগোরে আল্লাহ ভালো রাখব। ’

বৃদ্ধাশ্রম-এতিমখানার হেফজ শাখার ছাত্র মো. রহমত উল্লাহ (৮) বলে, ‘এই কম্বল পাইয়া আমার অনেক খুশি লাগতেছে। আল্লাহর কাছে বসুন্ধরার মালিকের জন্য দোয়া করি। ’

ভাসমান ভিক্ষুক শারীরিক প্রতিবন্ধী আব্দুর রহমান (৬০) বলেন, ‘বিভিন্ন সময় বসুন্ধরার সাহায্য রাস্তার পাশে আমাদের কাছে আইনা দিয়া যায়। আমরা গরিব মানুষগুলা দোয়া করি বসুন্ধরার লাইগা। ’

 



সাতদিনের সেরা