kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

গাইবান্ধায় কৃষক হত্যা

জামায়াতের দুই নেতাসহ আটজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৯ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জামায়াতের দুই নেতাসহ আটজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

গাইবান্ধায় কৃষক হাসান আলী (৫০) হত্যা মামলায় জামায়াতের দুই নেতাসহ আটজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এই রায় দেন। আসামিদের মধ্যে মিজানুর রহমান এবং পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা জামায়াতের প্রচার সেক্রেটারি আবু তালেব পলাতক রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

বাকি ছয়জন রায় দেওয়ার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা হলেন পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম, আবদুর রউফ, মো. জালাল, গোলাম মোস্তফা, শাহ আলম ও ফারুক মিয়া। সাজাপ্রাপ্ত সবার বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। ২২ বছর পর এই মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহম্মদ প্রিন্স জানান, এ মামলায় আটজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, পলাশবাড়ী আদর্শ (ডিগ্রি) কলেজের এক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে ১৯৯৯ সালে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ী উপজেলার সুইগ্রাম ও আমবাড়ী গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে ওই বছরের ২২ আগস্ট পলাশবাড়ী উপজেলার আমবাড়ী গ্রামের কৃষক হাসান আলীর ওপর হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করেন আসামিরা। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসান আলীকে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ২৪ আগস্ট হাসানের বড় ভাই আবুল কাশেম বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৭ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে বাবর আলী নামের এক আসামি মারা যান।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বাবু বলেন, তাঁরা এই রায়ে সন্তুষ্ট নন। তাঁরা উচ্চ আদালতে যাবেন। আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বাবু, আবদুল হালিম প্রমাণিক ও শিশির মনির।



সাতদিনের সেরা