kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানালেন

আপিল শুনানির আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংবাদটি ভুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আপিল শুনানির আগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংবাদটি ভুল

চুয়াডাঙ্গার একটি হত্যা মামলায় আপিল শুনানির আগেই দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের সংবাদ ভুল বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তাঁরা আলাদাভাবে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আপিল শুনানির আগে চুয়াডাঙ্গায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, সেটি সঠিক না। এ বিষয়ে তাঁর কাছে থাকা তথ্যের সঙ্গে প্রকাশিত খবরের মিল নেই।

বিজ্ঞাপন

আইনমন্ত্রী বলেন, যাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাঁদের বিচারিক আদালতে মৃত্যুণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ ‘কনফার্ম’ করা হয়েছিল। এরপর তাঁরা জেল আপিল করেছিলেন। এই জেল আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন। সব শেষে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চান। প্রাণভিক্ষার আবেদন নাকচ করার পর তাঁদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। সুতরাং আপিল শুনানির আগে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে, এ কথাটি কিন্তু সঠিক না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, চুয়াডাঙ্গার একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড যথাযথ নিয়ম মেনে কার্যকর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কোনো আপিল অনিষ্পন্ন ছিল বলে আমাদের জানা নেই। ফাঁসি দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের ব্যবস্থার কোনো ব্যত্যয় হয়নি। ’

উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গার একটি হত্যা মামলায় ঝড়ু ও মকিম নামের দুই আসামির নিয়মিত আপিল নিষ্পত্তির আগে তাঁদের দণ্ড কার্যকর হয়েছে, বলছেন তাঁদের আইনজীবী। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে করা আপিলটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হলে আইনজীবী স্বজনদের কাছ থেকে জানতে পারেন, চার বছর আগে ২০১৭ সালেই দণ্ড কার্যকর হয়ে গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জানামতে এই রকম ঘটনা ঘটেনি। প্রথম কথা হলো এই, ফাঁসির ক্ষেত্রে একটি প্রক্রিয়া আছে। যিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হন, প্রথমে তিনি আপিল করতে পারেন। তিনি হাইকোর্টে আপিল করেছেন। আপিল নামঞ্জুর হওয়ায় তিনি আবার আপিল বিভাগে আপিল করেছেন। জেল থেকে তিনি আপিল করেছেন, যেটিকে জেল আপিল বলে। জেল আপিল নিষ্পন্ন হওয়ার পরে, নামঞ্জুর হওয়ার পরে তিনি সর্বশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েছেন। রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর সিস্টেম অনুযায়ী তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ’

 



সাতদিনের সেরা