kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

নারীকে পিটিয়ে, এসিডে ঝলসে হত্যা

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি   

২৭ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারীকে পিটিয়ে, এসিডে ঝলসে হত্যা

প্রতীকী ছবি

যশোরের অভয়নগরে বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কেয়া খাতুন (৩০) নামের এক নারী শ্রমিককে রড দিয়ে পিটিয়ে ও এসিডে ঝলসে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার অভিযোগে শামীম হোসেন (৩৫) নামে কেয়ার এক সহকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার তালতলা এলাকায় যশোর-খুলনা মহাসড়কসংলগ্ন এসএএফ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একটি চামড়ার মিলে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত কেয়া অভয়নগরের পায়রা ইউনিয়নের কাদিরপাড়া গ্রামের মৃত আবুল কালামের মেয়ে। আটক শামীম হোসেন উপজেলার রাজঘাট মাইলপোস্ট এলাকার খন্দকার মোশারফ হোসেনের ছেলে। দুজনই একই মিলের শ্রমিক।

প্রত্যক্ষদর্শী শ্রমিকরা জানান, সোমবার দুপুরে টিফিনের সময় মিলের ভেতরে ক্যান্টিনের পাশে কেয়া বসে ছিলেন। এ সময় শামীম এসে তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে শামীম তাঁর হাতে থাকা রড দিয়ে কেয়ার মাথায় আঘাত করেন। কেয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মিলের ভেতর থেকে একটি মগে এসিড এনে তাঁর শরীর ও মুখে ঢেলে দেন। কেয়ার চিৎকারে ক্যান্টিনের ভেতরে থাকা শ্রমিকরা এগিয়ে এসে শামীমকে আটক করে মিল কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। কেয়াকে খুলনা আদদ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। শামীমকে অভয়নগর থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হয়েছে।

কেয়ার মামা হাবিবুর রহমান মজুমদার কালের কণ্ঠকে জানান, স্বামী পরিত্যক্তা কেয়ার ১১ বছর বয়সী একটি মেয়ে আছে। একই কারখানায় চাকরি করার সুবাদে শামীম দীর্ঘদিন ধরে কেয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। রাজি না হওয়ায় তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হাবিবুর তাঁর ভাগ্নির হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার ওসি এ কে এম শামীম হাসান জানান, আটক শামীম ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এসিড নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গতকালই তাঁকে যশোর আদালতে পাঠানোর কথা।

 



সাতদিনের সেরা