kalerkantho

বুধবার । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৮ ডিসেম্বর ২০২১। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রাণ-আরএফএলের বিরুদ্ধে বিআইডাব্লিউটিএর মামলা

বালু নদের তীরভূমি ভরাট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রাণ-আরএফএলের বিরুদ্ধে বিআইডাব্লিউটিএর মামলা

বালু নদ দখল করে বসানো হয়েছে সাইনবোর্ড। ছবি : কালের কণ্ঠ

বালু নদ ভরাট করার অভিযোগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিআইডাব্লিউটিএ (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ) একটি মামলা করেছে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় বিআইডাব্লিউটিএর টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় এ মামলা করেন।

মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ব্যবস্থাপক প্রশাসন ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহান, ড্রেজার মালিক জাহেদ আলী ও মো. মুক্তারসহ অজ্ঞাতপরিচয় আট থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়।

এর আগে সকাল ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত খিলক্ষেতের পাতিরা মৌজার বালু নদের পশ্চিম পাশে প্রতিষ্ঠানটির নদী ভরাটকৃত স্থানে নৌ পুলিশের সহায়তায় বিআইডাব্লিউটিএ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজার বালু নদের পশ্চিম পাশের বিআইডাব্লিউটিএর নির্ধারিত সীমানা পিলার ২৮, ২৯ ও ৩০-এর ভেতরে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ২৫০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৫০ ফুট প্রস্থের এলাকা ভরাট করেছে। রবিবার সকাল ১১টার দিকে রাজাখালী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ওসি আহসান হাবিব খান, এসআই রাশেদুল ইসলাম, ঢাকা ডিভিশনের প্রকৌশল বিভাগের

উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহমান ও কারিগরি সহকারী কামাল হোসেনের সহযোগিতায় বিআইডাব্লিউটিএ এই অভিযান পরিচালনা করে। তবে অভিযানে কাউকে আটক করা যায়নি। তারা ড্রেজার নিয়ে চলে গেছে।

মামলার বিষয়ে খিলক্ষেত থানার ওসি মুন্সী ছাব্বীর আহম্মদ বলেন, ‘বিআইডাব্লিউটিএ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিরুদ্ধে নদী ভরাটের অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিশ্চিত হন যে এটি খিলক্ষেত থানার মধ্যে। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি মামলা হয়।’

বিআইডাব্লিউটিএর টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা নিয়মিত টহলে গিয়ে নদী ভরাটের বিষয়টি দেখতে পান এবং তাত্ক্ষণিক তা বন্ধ করেন। পরে মামলা করা হয়। নদী ভরাট করে সরকারি সম্পত্তি দখল ও নৌচলাচল সংকুচিত করা এবং নৌদুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ানোয় তাদের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ১৪৩/১৮৬/২৮৩/৪৩১/৪৩৪/৫০৫/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া নদীর ভরাট করা বালু দ্রুত অপসারণের জন্য প্রাণ গ্রুপকে বলা হয়েছে।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বক্তব্য জানতে প্রতিষ্ঠানটির এজিএম (জনসংযোগ) তৌহিদুজ্জামানের সঙ্গে গত রাতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবেন না। পরে প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য জানানো হবে।

 



সাতদিনের সেরা