kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

ফেসবুক লাইভে স্ত্রী হত্যা

ফেনীতে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ফেনী প্রতিনিধি   

২২ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফেনীতে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

ফেনী শহরের বারাহিপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে ফেসবুক লাইভে এসে গৃহবধূ তাহমিনা আক্তারকে হত্যা মামলায় স্বামী ওবায়দুল হক টুটুলকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছা এ রায় ঘোষণা করেন। মাত্র ৬০ কর্মদিবসে এই হত্যার বিচার হলো।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হাফেজ আহম্মদ বলেন, ‘তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে হত্যার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।’ হত্যার শিকার তাহমিনার বাবা সাহাব উদ্দিন বলেন, ‘ন্যায়বিচার পেয়েছি, বিচারালয় এবং সরকারের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

রায়ের ব্যাপারে বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু বলেন, ‘অল্প সময়ে মামলাটির বিচারকাজ শেষ হয়েছে। এ রায়ের মধ্য দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আমরা সুবিচার পেয়েছি।’ আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুস সাত্তার বলেন, ‘আমরা সুবিচার পাইনি। সুবিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আপিল করব।’

২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল স্ত্রী তাহমিনাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ওবায়দুল হক টুটুল। এ ঘটনায় সাহাব উদ্দিন বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় মামলা করেন। পরে এ মামলায় ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন সাক্ষ্য দেন। ২০ জানুয়ারি থেকে বিচারকাজ শুরু হয়। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর একমাত্র আসামি টুটুলকে অভিযুক্ত করে চার্জ গঠন করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. ইমরান হোসেন গত ১১ নভেম্বর টুটুলকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে টুটুলের সঙ্গে তাহমিনার বিয়ে হয়। তাঁদের ঘরে একটি মেয়ে রয়েছে।



সাতদিনের সেরা