kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

সবিশেষ

পরিবেশবান্ধব কেরোসিন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরিবেশবান্ধব কেরোসিন

অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম থেকে নয়, কৃত্রিমভাবে বানানো হবে কেরোসিন, যা কোনো ধরনের গ্রিনহাউস গ্যাসেরই নির্গমন ঘটাবে না। আক্ষরিক অর্থেই হয়ে উঠবে ১০০ শতাংশ পরিবেশবান্ধব কেরোসিন।

বাণিজ্যিকভাবে সেই পরিবেশবান্ধব কেরোসিন উৎপাদনের জন্য বিশ্বের প্রথম কারখানা চালু হলো নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে জার্মানির উত্তর-পশ্চিম সীমান্তঘেঁষা শহর ভার্লটেতে। সম্প্রতি জার্মানির পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের তরফে এক বিবৃতিতে এ খবর জানানো হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছে, আগামী দিনে এই কেরোসিনই হয়ে উঠবে বিমান পরিবহনে ব্যবহৃত পরিবেশবান্ধব জ্বালানিগুলোর অন্যতম, যার ব্যবহার শুরু হবে বিশ্বের বিভিন্ন মহাদেশে, দেশে।

গত আগস্টে প্যারিস জলবায়ু চুক্তির যে খসড়া রিপোর্ট প্রকাশিত হয় তাতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার একেবারেই বন্ধ করে দিতে হবে। না হলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাসগুলোর নির্গমনের মাত্রা এতটাই বেড়ে যাবে যে ২১০০ সালে পৌঁছানোর আগেই বিশ্বের গড় তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পযুগের চেয়ে ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে, যা সভ্যতার পক্ষে সমূহ বিপদের কারণ হবে। ওই রিপোর্ট জানিয়েছে, উষ্ণায়নের জন্য দায়ী যে গ্রিনহাউস গ্যাসগুলো তার মধ্যে প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইড বিশ্বে প্রতিবছর যে পরিমাণে নির্গত হয় পরিবেশে, তার অন্তত আড়াই শতাংশ আসে বিমানের জ্বালানি থেকে।

জার্মানির সরকারের দাবি, ভার্লটেতে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম পরিবেশবান্ধব কেরোসিন উৎপাদনের কারখানা প্রাথমিকভাবে বিমানের জ্বালানি থেকে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন কমাতে বড় ভূমিকা নেবে। ভার্লটেতে বিশ্বের প্রথম পরিবেশবান্ধব কেরোসিন তৈরির কারখানার উদ্বোধন করতে গিয়ে জার্মানির পরিবেশমন্ত্রী ভেনজা শ্যুলজ বলেছেন, ‘কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর দিন খুব দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। কিন্তু আকাশে ওড়ার নেশা মানুষের বেড়েই চলেছে পৃথিবীর সর্বত্রই। এই পরিস্থিতিতে বিমানের জন্য বাণিজ্যিকভাবে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি তৈরির প্রয়োজন খুব জরুরি হয়ে উঠেছিল। ভার্লটের কারখানা সেই সমস্যা মেটানোর পথ দেখাল।’ সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।



সাতদিনের সেরা