kalerkantho

রবিবার । ৯ মাঘ ১৪২৮। ২৩ জানুয়ারি ২০২২। ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সবিশেষ

বৃহস্পতির চাঁদে জলীয় বাষ্প

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৃহস্পতির চাঁদে জলীয় বাষ্প

কেটলি বা হাঁড়িতে পানি ফুটলে যেমন হয়, ঠিক তেমনটাই দেখা গেল বৃহস্পতির একটি চাঁদ ‘ইউরোপা’তে। অত্যন্ত উষ্ণ পানির ধোঁয়া উঠে আসছে ইউরোপার একটি দিক থেকে। সেই ধোঁয়া এতটাই ঘন যে মনে হচ্ছে যেন ধোঁয়ার মেঘ। আদতে যা জলীয় বাষ্পের মেঘ।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল এরোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এই ঘটনা নজরে এসেছে মহাকাশে থাকা হাবল টেলিস্কোপের। তাদের গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সে। কয়েক বছর আগে তোলা বেশ কিছু ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, একনাগাড়ে অত্যন্ত উষ্ণ পানির ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে ইউরোপা থেকে। তবে যেটি খুব বিস্ময়কর, সেই পানির ধোঁয়া বৃহস্পতির চাঁদটির বিশেষ একটি দিক থেকেই বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে। কেন শুধু সেই দিকটি থেকেই ওই ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে, তা নিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কৌতূহল মেটেনি। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, এ ঘটনা ইউরোপায় প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনাকে আরো জোরদার করে তুলল। ইউরোপার পুরু বরফে মোড়া পিঠের নিচে যে সুবিশাল পানির অসংখ্য সাগর ও মহাসাগর এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে, কয়েক বছর ধরে তা বিভিন্ন গবেষণায় জানানো হয়েছে। সেসব সাগর ও মহাসাগরে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে জোরালো বিশ্বাস রয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। তাঁরা মনে করেন, সূর্য থেকে ৫০ কোটি মাইল দূরে ইউরোপায় এখনো প্রাণ টিকে রয়েছে ওই সব সাগর ও মহাসাগরে। ১৯৯৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ চালিয়ে  বৃহস্পতির দুটি চাঁদ ইউরোপা আর গ্যানিমিদের পুরু বরফে মোড়া পিঠের নিচে পানির সাগর ও মহাসাগর থাকার প্রমাণ মিলেছে এরই মধ্যে। এর আগে ২০১৩ সালেও হাবল টেলিস্কোপ দেখেছিল ইউরোপার একটি অংশ থেকে বেরিয়ে আসছে অত্যন্ত উষ্ণ পানির ধোঁয়া। কিন্তু এবার সেই পানির ধোঁয়া আরো অনেক বড় এলাকা থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা গেছে।

গ্যানিমিদের পিঠের তাপমাত্রার চেয়ে ইউরোপার পিঠের তাপমাত্রা বেশ কম। তার পরও কিভাবে অত্যন্ত উষ্ণ পানির ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে ইউরোপা থেকে আর সেই ঘটনা কিভাবে লাগাতার ঘটে চলেছে, তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের কৌতূহল মেটেনি।   সূত্র : সাইটেক ডেইলি।



সাতদিনের সেরা