kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

সবিশেষ

হৃদরোগ প্রতিরোধে কমাতে হবে অ্যাসপিরিন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হৃদরোগ প্রতিরোধে কমাতে হবে অ্যাসপিরিন

হৃদরোগ ও স্ট্রোকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অ্যাসপিরিন একটি উল্লেখযোগ্য ও সুলভ উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে বহুদিন ধরে। কিন্তু হৃদরোগ বা স্ট্রোক প্রতিরোধে অ্যাসপিরিনের ব্যবহার কমিয়ে আনা উচিত বলে সুপারিশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল। তারা ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিদের নিয়মিত অ্যাসপিরিন না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস।

১৬ জন স্বাধীন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে গঠিত ইউএস প্রিভেনটিভ সার্ভিসেস টাস্কফোর্সের (ইউএসপিএসটিএফ) প্যানেলের খসড়া সুপারিশে বলা হয়, কার্ডিওভাসকুলার বা হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা যদি নিয়মিত স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন গ্রহণ করেন, তবে তাঁরা মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে পারেন। তাই চিকিৎসকদের উচিত হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা বেশির ভাগ ব্যক্তিকে নিয়মিত গ্রহণের জন্য স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন আর না দেওয়া। সুবিধার চেয়ে গুরুতর পাশ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি—এমন তথ্য-প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে এই সুপারিশ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, কেউ নিয়মিত অ্যাসপিরিন শুরুর পর অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে দ্রুত ঘটে। যাঁরা এরই মধ্যে স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন নিচ্ছেন, তাঁদের এখন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিত বলে মত দিয়েছে ওই বিশেষজ্ঞ প্যানেল।

তবে যাঁরা এরই মধ্যে অ্যাসপিরিন গ্রহণ করছেন বা যাঁরা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত এই নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে না। ইউএসপিএসটিএফের সদস্য চিয়েন-ওয়েন সেং বলেন, ‘চিকিৎসকের সঙ্গে কথা না বলে আমরা কাউকে আর অ্যাসপিরিন গ্রহণ বন্ধের পরামর্শ দিচ্ছি না।

আর কেউ যদি এরই মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত বা স্ট্রোক করে থাকেন, সে ক্ষেত্রে তো অবশ্যই নয়।’

চিয়েন-ওয়েন সেং আরো বলেন, যাঁরা হৃদরোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকিতে আছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন গ্রহণের বিষয়ে আগের নির্দেশনা আর থাকছে না। সূত্র : এএফপি।

 



সাতদিনের সেরা