kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ডিসেম্বরের মধ্যে ফাইভজির জন্য স্পেকট্রাম নিলাম

বিশেষ প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডিসেম্বরের মধ্যে ফাইভজির জন্য স্পেকট্রাম নিলাম

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফাইভজি সেবা চালুর জন্য স্পেকট্রাম নিলাম হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিকম অপারেটর টেলিটকের এ সেবার উদ্বোধন করা হবে ১২ অথবা ১৬ ডিসেম্বর। প্রথম পর্যায়ে রাজধানীতে টেলিটকের এ সেবা মিলবে। গতকাল শনিবার টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক (টিআরএনবি) আয়োজিত ওয়েবিনারে এ তথ্য জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ‘ফাইভজি ইকোসিস্টেম ইন বাংলাদেশ অ্যান্ড আপকামিং টেকনোলজিস’ শিরোনামে এই ওয়েবিনারে টিআরএনবি সভাপতি রাশেদ মেহেদীর সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার, বিটিআরসির কমিশনার ও ফাইভজি গাইডলাইন কমিটির প্রধান এ কে এম শহীদুজ্জামান, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের প্রেসিডেন্ট ও বাংলালিংকের সিইও এরিক অস, গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, রবির ভারপ্রাপ্ত সিইও এম রিয়াজ রশিদ, টেলিটকের এমডি মো. শাহাব উদ্দিন, হুয়াওয়ে বাংলাদেশের চিফ অপারেটিং অফিসার তাওগোয়াংইয়াও এবং এলএম এরিকসনের (বাংলাদেশ) কান্ট্রি ম্যানেজার আবদুস সালাম। মূল প্রবন্ধে বিশ্বে ফাইভজি সেবার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে বাংলাদেশ তথ্য-প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। ফাইভজিতেও পিছিয়ে থাকবে না। ফাইভজি প্রযুক্তি চালুর জন্য সরকার সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। বাস্তবতা বিবেচনায় বাংলাদেশে ফোরজি প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে দেশকে চালিত করার উপযোগী করে ফাইভজি চালুর বিষয়টি সামনে রেখেই এসংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই টেলিটকের মাধ্যমে ফাইভজি প্রযুক্তি চালু হবে। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং ১২ই ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস। এ দুটি তারিখের যেকোনো দিন টেলিটকের ফাইভজি সেবা উদ্বোধন করা হতে পারে। একই সঙ্গে ডিসেম্বরের মধ্যেই ফাইভজির জন্য স্পেকট্রাম নিলাম সম্পন্ন করা হবে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার বলেন, চলতি বছরের মধ্যেই ফাইভজি চালুর বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। প্রথমে ঢাকায় এ সেবা চালু হবে। বিটিআরসির কমিশনার এ কে এম শহিদুজ্জামান বলেন, ফাইভজির নীতিমালা এমনভাবে করা হচ্ছে যেন আগামী দিনেও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি সহজ হয়। একই সঙ্গে বিটিআরসি বিশ্বে বিভিন্ন দেশের নীতিমালা ও পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে তুলনামূলক কম দামে স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য কাজ করছে।

অ্যামটবের প্রেসিডেন্ট ও বাংলালিংকের সিইও এরিক অস বলেন, ফাইভজি প্রযুক্তিকে প্রয়োগের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা প্রয়োজন। তাই ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার বিষয়টি ফাইভজির পরিকল্পনায় গুরুত্ব দিতে হবে।

গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, টেলিকম শিল্প সংশ্লিষ্ট সবাই মিলে ফাইভজি ইকোসিস্টেম উন্নয়নে কাজ চলছে। ফাইভজির সুফল পেতে প্রযুক্তি, ডিভাইস, ফাইবার, টাওয়ার অবকাঠামো ও স্পেকট্রাম একে অন্যের পরিপূরক। সুলভে স্পেকট্রাম বরাদ্দ করার বিষয়টি ফাইভজির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

রবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম রিয়াজ রশিদ বলেন, ফাইভজি হবে পরবর্তী টেলিকম সেবার মান নির্ধারক।

টেলিটকের এমডি মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, ফোরজির তুলনায় ফাইভজির সক্ষমতা অনেক বেশি।

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিওও তাওগোয়াংইয়াও বলেন, ফাইভজি শিল্প উৎপাদনে নতুন যুগের সূচনা করবে। বাংলাদেশে গার্মেন্টশিল্প অত্যন্ত বিকশিত একটি শিল্প।

এলএম এরিকসনের (বাংলাদেশ) কান্ট্রি ম্যানেজার আবদুস সালাম বলেন, ফাইভজির জন্য যে ধরনের উপযোগী প্রযুক্তি প্রয়োজন তা এরিকসনের আছে।



সাতদিনের সেরা