kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

বিএনপির নির্বাহী কমিটির দ্বিতীয় দফার বৈঠক

সব বিরোধী দলকে এক ছাতায় আনতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সব বিরোধী দলকে এক ছাতায় আনতে হবে

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। এই আন্দোলনে সফল হতে হলে সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে একই প্ল্যাটফর্মে আনার পাশাপাশি রাজনৈতিক, কূটনৈতিক তৎপরতাও বাড়াতে হবে বলে মনে করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির নেতারা।

দলের কৌশল ঠিক করতে বিএনপির নির্বাহী কমিটির ধারাবাহিক রুদ্ধদ্বার বৈঠকের দ্বিতীয় দফার বৈঠকে গতকাল মঙ্গলবার সাংগঠনিক বিভাগ ঢাকা ও ফরিদপুরের কেন্দ্রীয় সদস্য, জেলা ও মহানগরের সভাপতিরা এই মতামত দেন। গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিকেল পৌনে ৪টায় শুরু হয়ে বৈঠক চলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা।

স্কাইপে সংযুক্ত হয়ে বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মূল মঞ্চে ছিলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

দ্বিতীয় দফার প্রথম দিনে মোট ১২৬ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এঁদের মধ্যে ৭৮ জন অংশ নেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ আবু জাফর, বাবুল আহমেদ, হাবিবুর রশিদ হাবিব, মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, ওবায়দুল হক নাসির, শেখ রবিউল ইসলাম রবি, আব্দুল মতিন, পেয়ারা মোস্তাফা, নিপুণ রায় চৌধুরী, ফেরদৌস আহমদ খোকন, কাজী মনির, আশফাক আহমেদ, আকরামুল হাসান, রফিকুল ইসলাম রাসেল, ইয়াসমিন আরা হক, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, মোদাসের আলী ইসা, মজিবুর রহমান, সাঈদ সোহরাব, তমিজউদদীন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, দিপু ভূইয়া, অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান সুরুজ, রোকসানা খানম মিতু, রেজা আলিম প্রমুখ।

বৈঠক শেষে গুলশান কার্যালয়ের বাইরে সাংবাদিকদের ফখরুল বলেন, ‘বর্তমানে অনির্বাচিত দখলদারি সকারের যে শাসন, তারা যে লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে—এ বিষয়ে আমাদের সদস্যরা আলোচনা করেছেন। খালেদাজিয়ার মুক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি ও সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন।’

জানা যায়, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবিতে রাজপথে আন্দোলনের পক্ষেই মত দিয়েছেন নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা সভাপতিরা। তবে রাজপথে নামার আগে দলে শৃঙ্খলা ফেরানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। তারা বলেন, দলে ‘চেইন অব কমান্ড’ প্রয়োজন। তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত প্রতিটি ইউনিটে যাতে শৃঙ্খলা থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। নানা কারণে দলের ভেতর যে কোন্দল রয়েছে তা নিরসনে এখনই উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বৈঠকে নিপুণ রায় চৌধুরী বৈঠকে বলেন, চূড়ান্ত আন্দোলনে নামার আগে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে নিজ নিজ শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবি নিয়ে একযোগে রাজপথে নামতে হবে। ঘরে ঘরে গিয়ে মহিলাদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা বোঝাতে হবে।

 



সাতদিনের সেরা