kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সংরক্ষিত বনভূমিতে একাডেমি নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংরক্ষিত বনভূমিতে একাডেমি নয়

কক্সবাজারে বন বিভাগের ৭০০ একর বনভূমিতে প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছে বন অধিদপ্তর। বন অধিদপ্তরের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে ওই বনভূমিতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ একাডেমি নির্মাণে আপত্তি জানিয়েছে সংসদীয় কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে ওই জায়গায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গতকাল রবিবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, তানভীর শাকিল জয়, খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন ও মো. শাহীন চাকলাদার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে সাবের হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বনভূমির ওই জমি বরাদ্দ দেওয়া বিধিসম্মত হয়নি। তাই আমরা ওই প্রকল্পে চূড়ান্ত অনুমতি দিতে না করেছি। পাশাপাশি সঠিক তথ্য তুলে ধরতে বলেছি। পরিবেশমন্ত্রীও আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।’ তিনি বলেন, যেখানে বেদখলে থাকা বনভূমি উদ্ধার চলছে, সেখানে সরকারের আরেকটি সংস্থা যদি বন বিভাগের জমি নিয়ে নেয়, এটা তো সঠিক নয়। তিনি আরো বলেন, ‘জনপ্রশাসনের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকে আমরা সমর্থন করি। তবে ওই জায়গায় প্রকল্পটি হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এটা আমাদের বিধি-নিয়ম এমনকি সংবিধান পরিপন্থী। প্রকল্পটি অন্য জায়গায় হোক।’

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠাবে জানিয়ে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বোঝার চেষ্টা করছি এটা কিভাবে হলো। যদি কেবল জমির দাগ ও খতিয়ান দেওয়া হয় এবং ভূমির আকার ও প্রকৃত বর্ণনা না করে, সেটা হতে পারে। আমরা মনে করি, সেটাই হয়েছে। এটা আমরা দেখব।’ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে যে অনুমতি এসেছে, সেই দপ্তরও হয়তো বিষয়টি পুরোপুরি জানে না বলে তিনি ধারণা প্রকাশ করেন। বন বিভাগ থেকে আগেই আপত্তি দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে কমিটির সভাপতি বলেন, এ জমির বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। সংরক্ষিত বন হিসেবে এ জমির মালিক জেলা প্রশাসন। আর এ জমি কোনো অবস্থায়ই বন্দোবস্তযোগ্য নয়।

 

 



সাতদিনের সেরা