kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সবিশেষ

মহাকাশ মিশন শেষে পৃথিবীতে চীনা নভোচারীরা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মহাকাশ মিশন শেষে পৃথিবীতে চীনা নভোচারীরা

ছবি: ইন্টারনেট

চীন সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য তিনজন নভোচারীকে মহাকাশ মিশনে পাঠানোর পর তাঁরা আবার পৃথিবীতে ফিরে এসেছেন। এই সফল মহাকাশ অভিযান চীনের মহাকাশ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা যেমন প্রমাণ করেছে, তেমনি মহাকাশ গবেষণার দৌড়ে দেশটির আস্থাও বেড়েছে।

তিনজন নভোচারী পৃথিবীর ৩৮০ কিলোমিটার ওপরে চীনের তৈরি মহাকাশ স্টেশনের তিয়ানহে মডিউলে ৯০ দিন সময় অতিবাহিত করেন। তাঁরা গত বৃহস্পতিবার স্পেস স্টেশন থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে, শেনঝু-১২ নামের নভোচারীচালিত মহাকাশযানে ওঠেন। নিই হাইশেং, লিউ বোমিং ও টাং হনবো গতকাল স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে মঙ্গোলিয়ার গোবি মরুভূমিতে অবতরণ করেন। তাঁরা মহাকাশে যাত্রা করেন ১৭ জুন এবং গোবি মরুভূমি থেকেই তাঁদের নিয়ে নভোযান রওনা হয়।

চীনের গ্লোবাল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, মহাকাশ স্টেশনে থাকাকালে তিন নভোচারী নানা ধরনের কাজ করেছেন, যার মধ্যে আছে পৃথিবীতে বিভিন্ন রকম তথ্য পাঠানো এবং বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে মহাকাশে হাঁটা। মহাকাশ স্টেশনের মূল যে মডিউলের মধ্যে নভোচারীরা ছিলেন, সেখানে প্রত্যেক নভোচারীর থাকার জন্য আলাদা কক্ষ দেওয়া হয়েছিল বলে বলা হয়েছে।

চীনের এয়ারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে উদ্ধৃত করে গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, মহাকাশে ব্যবহারের উপযুক্ত জিম ছিল, যেখানে নভোচারীদের ব্যায়ামের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ট্রেডমিল ও বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছিল।

সাম্প্রতিক কয়েক বছরে চীন মহাকাশ গবেষণায় উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। ২০১৯ সালে চীন ছিল বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা চাঁদের সবচেয়ে দূরের অংশে রোবট পরিচালিত রোভারযান পাঠিয়েছিল। চীনকে মহাকাশে তাদের নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন তৈরি করতে হয়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন প্রকল্পে চীনকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্র প্রকল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং এই প্রকল্পে তারা রাশিয়া, ইউরোপ, জাপান ও কানাডার সঙ্গে একযোগে কাজ করছে। সূত্র : বিবিসি।



সাতদিনের সেরা