kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সবিশেষ

ওজোনস্তরে বড় ফাটল!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওজোনস্তরে বড় ফাটল!

ভয়ংকর ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মিকে রুখে দেয় বায়ুমণ্ডলের যে স্তর, সেই ওজোনের চাদরে অ্যান্টার্কটিকার চেয়েও আকার-আয়তনে বড় বিশাল একটি ফাটল তৈরি হয়েছে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরের ওপর নিয়মিত নজরদারির দায়িত্ব যাঁদের কাঁধে, সেই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোপারনিকাস অ্যাটমসফিয়ার মনিটরিং সার্ভিস গত বুধবার এই খবর দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এই মৌসুমে বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে এত বড় মাপের ফাটল খুবই অপ্রত্যাশিত। অত্যন্ত বিপজ্জনকও মানবসভ্যতার জন্য। ওজোনস্তরে এত বড় মাপের ফাটল শেষ দেখা যায় ৪২ বছর আগে, ১৯৭৯ সালে।

কোপারনিকাস অ্যাটমসফিয়ার মনিটরিং সার্ভিসের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে, ওজোনস্তরের ওই ফাটল খুব দ্রুত বড় হচ্ছে। বাড়ছে আকার-আয়তনে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তরকে (ভূপৃষ্ঠ ও তার কাছাকাছি) বলা হয় ‘ট্রপোসফিয়ার’। তার ওপরে রয়েছে আরেকটি স্তর। যার নাম ‘স্ট্র্যাটোসফিয়ার’। সেই স্ট্র্যাটোসফিয়ারের একেবারে ওপরের স্তরে আছে ওজোনের পুরু চাদর। নীলাভ গ্যাসের। ভূপৃষ্ঠের সাত থেকে ২৫ কিলোমিটার বা ১১ থেকে ৪০ কিলোমিটার উঁচুতে। এই ওজোনের পুরু চাদর অতিবেগুনি রশ্মি, সৌরকণা, মহাজাগতিক রশ্মিসহ নানা ধরনের মহাজাগতিক বিকিরণের হাত থেকে বাঁচায় যাবতীয় প্রাণ। কাজ করে ‘সানস্ক্রিন’-এর মতো।

কোপারনিকাস অ্যাটমসফিয়ার মনিটরিং সার্ভিসের কর্মকর্তা ভিনসেন্ট-হেনরি পিউচ বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে নিখুঁতভাবে বলা সম্ভব হচ্ছে না বায়ুমণ্ডলের ওজোনের চাদরের এই ফাটল আরো কতটা বড় হবে। আর সেটা আরো কতটা দ্রুত হারে হবে। তবে এটুকু বলা যায়, ১৯৭৯ সাল থেকে এই চাদরের ফাটলের আকার বৃদ্ধি নিয়ে আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে তাতে এই ফাটলকে গভীরতম বলাই যায়। এমনকি তা দীর্ঘমেয়াদিও হতে পারে। এই ফাটল আকারে-আয়তনে অ্যান্টার্কটিকার চেয়েও বড়।’ সূত্র : আনন্দবাজার।



সাতদিনের সেরা