kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১৮ মাস পর সশরীরে পরীক্ষা সাংবাদিকতা বিভাগে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৮ মাস পর সশরীরে পরীক্ষা সাংবাদিকতা বিভাগে

করোনার কারণে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৮ মাস পর গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়টির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়েছে সশরীরে উপস্থিতিতে। ছবি : কালের কণ্ঠ

দীর্ঘ ১৮ মাস পর সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শতভাগ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদ ভবনে সকাল ও বিকেলে দুই ভাগে ভাগ করে এসব পরীক্ষা নেওয়া হয়।

বিভাগটির অফিস সূত্র জানায়, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের ৯ তলায় সকাল ১১টায় স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ৫০১ নম্বর কোর্স ও দুপুর ২টায় স্নাতক শেষ বর্ষের ৪০১ নম্বর কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৫৩ জন শিক্ষার্থীকে দুই রুমে তিন ফুট করে দূরত্বে বসিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। একই পদ্ধতিতে স্নাতক শেষ বর্ষের ৬৬ জন শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এই দুই বর্ষের পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীদের একইভাবে পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানা গেছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিকভাবে দুই বর্ষের কোর্স সমন্বয়ক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। আলোচনার প্রস্তাব বিভাগের একাডেমিক সভায় তোলা হয়। পরে একাডেমিক সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে ডিন অফিসের মাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অনুমোদন নিয়ে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষার্থীদের সম্মতিক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। শতভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে।’

স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ফারজিব মাহমুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর হলেও সশরীরে পরীক্ষা দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। অবশেষে আমরা সেশনজট থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছি। এ কারণে আরো বেশি ভালো লাগছে। আমরা পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা দিয়েছি।’

দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে গত বছর ১৮ মার্চ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। পরে অনলাইনে ক্লাস শুরু হলেও বন্ধ থাকে পরীক্ষা। এরপর বিভাগগুলো অনলাইনে ইনকোর্স পরীক্ষা নিলেও ফাইনাল পরীক্ষা নেয়নি।

 



সাতদিনের সেরা