kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৫ সফর ১৪৪৩

কাঁচা মরিচের দাম এক সপ্তাহে দ্বিগুণ

সবজির দরে কিছুটা স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




কাঁচা মরিচের দাম এক সপ্তাহে দ্বিগুণ

কাঁচা মরিচের দাম সপ্তাহখানেক আগেও ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। তার আগে ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। খুচরায় এখন ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনতে লাগছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। সে হিসাবে কেজিপ্রতি দাম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা।

বিক্রেতারা বলছেন, মরিচের উৎপাদনে পালাবদল হচ্ছে। বর্ষার কারণে আগের মরিচগাছগুলো তুলে নতুন করে লাগানোর অপেক্ষায় কৃষক। এতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। তবে সবজির দামে এখনো কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মিরপুর ১, সেগুনবাগিচা, মালিবাগ, মুগদাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন, ঢেঁড়স, পটোল, বরবটি, মিষ্টিকুমড়া, চিচিঙ্গা, কাঁচা পেঁপে, শসা, কচুর লতি, কচুর মুখিসহ প্রায় সব ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে। টমেটো ও গাজরের দাম অবশ্য বেশি, ৮০ থেকে ১০০ টাকা প্রতি কেজি। এ ছাড়া লাউ ৩০ থেকে ৫০ টাকা পিস, কাঁচকলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা হালি, ফুলকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের শাক কেনা যাচ্ছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা আঁটি।

কারওয়ান বাজারে যমুনা ভাণ্ডারের মালিক মো. দিপু কালের কণ্ঠকে বলেন, চলমান লকডাউনে বাজারে বিক্রিবাট্টা চলে আধাবেলা। ফলে শাক-সবজি বিক্রি হচ্ছে কম। তাই দামও তেমন একটা বাড়েনি। তা ছাড়া এখন প্রচুর সবজি আসছে মোকামগুলো থেকে। এবার বন্যা না হওয়ার সুফল বাজারে মিলছে।

আলু ও পেঁয়াজের বাজারদরে স্বস্তি থাকবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। তাঁরা বলছেন, বন্যা এবং ভারত রপ্তানি বন্ধ করায় কয়েক বছর ধরে আগস্ট থেকেই পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়তে দেখা গেছে। এবার বাজার পরিস্থিতি বলছে ভারত পেঁয়াজের রপ্তানি বন্ধ করলেও খুব একটা সমস্যা হবে না। এখনো বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার খুচরা বাজারগুলোতে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে। পণ্য দুটি কয়েক মাস ধরেই এই দামে বিক্রি হচ্ছে। মাঝে কিছুদিনের জন্য পেঁয়াজের দাম বেড়ে ৬০ টাকায় উঠলেও তা বেশিদিন থাকেনি।

অন্য মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে আদা ও রসুনের দাম ঈদ শেষে কিছুটা কমেছে। ঈদুল আজহার আগে চায়না আদা ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। গতকাল এই আদা খুচরা পর্যায়ে ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দেশি ও কেরালার আদা বিক্রি হচ্ছে কিছুটা কমে, ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। রসুন ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি।

এদিকে গরুর মাংসের বাজারে ঈদের আমেজ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। অনেক দোকানই গতকাল পর্যন্ত বন্ধ দেখা গেছে। দাম আগের মতোই, ৬০০ টাকা কেজি।

মুগদা বাজারের মাংস বিক্রেতা সালাম এন্টারপ্রাইজের মালিক বলেন, সাধারণত কোরবানির ঈদের পর এক মাস মাংসের দোকানে তেমন একটা বেচাবিক্রি হয় না। তার ওপর লকডাউনের কারণে অনুষ্ঠানাদি বন্ধ। এ অবস্থায় মাংসের চাহিদা তেমন নেই। তাই দোকান বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। 

ডিমের দাম আগের মতোই বাড়তি। ডজন বিক্রি হচ্ছে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায়। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম কমে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে।

 



সাতদিনের সেরা