kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

গরিবের জন্য দুই শতাধিক স্থানে কোরবানি বসুন্ধরা এমডির

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গরিবের জন্য দুই শতাধিক স্থানে কোরবানি বসুন্ধরা এমডির

বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের উদ্যোগে দেশের ২০০টি স্থানে গরিবের জন্য পশু কোরবানি দেওয়া হয়। নওগাঁর পত্নীতলায় কোরবানির পশুর গোশত বিতরণ করার দৃশ্য। ছবি : কালের কণ্ঠ

অসহায়, দুস্থ মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর। দেশের দুই শর বেশি স্থানে দুস্থ, অসহায় ও এতিমদের মধ্যে কোরবানির পশুর গোশত বিতরণ করেন তিনি। প্রতিবছরের মতো এ বছরও গরিব ও অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তুলনামূলকভাবে অসচ্ছল গ্রামে এ আয়োজন করা হয়। বসুন্ধরা সিমেন্ট ও বসুন্ধরা বিটুমিনের ডিলাররা এ মহৎ কাজে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।

উল্লেখ্য, কোরবানি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ইবাদত। প্রথম নবী আদম (আ.) থেকে শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) পর্যন্ত পৃথিবীর সব নবী ও রাসুল কোরবানি করেছেন। বিদায় হজে মহানবী (সা.) আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায়ের জন্য ১০০ উট কোরবানি করেন, যার ৬৩টি তিনি নিজে জবাই করেন আর বাকিগুলো  আলী (রা.) জবাই করেন। (সুনানে ত্বহাবি, হাদিস : ৬২৩৬)

মহানবী (সা.) কোরবানির পশুর গোশত তিন ভাগ করে নিজে খেতেন, আত্মীয় এবং অসহায় মানুষের ভেতর বিতরণ করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর পরিবারকে কোরবানির এক-তৃতীয়াংশ আহার করাতেন, প্রতিবেশীদের এক-তৃতীয়াংশ আহার করাতেন আর ভিক্ষুকদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ সদকা করতেন।’ (আল-মুগনি : ৯/৪৪৯)

সেই নির্দেশনা মোতাবেক দুই শর বেশি স্থানে কোরবানি করেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি।