kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

ঈদ বাজার

পেঁয়াজ-আদায় স্বস্তি ফেরেনি

বাড়ল তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পেঁয়াজ-আদায় স্বস্তি ফেরেনি

কয়েক দিন পরই কোরবানির ঈদ। ধর্মীয় এই উৎসবকে সামনে রেখে এরই মধ্যে চড়া হয়েছে আদা, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, ভোজ্য তেল ও গরম মসলার বাজার। যদিও আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম আগেই বেড়েছিল। চলতি সপ্তাহে এগুলোর দাম কিছুটা কমলেও স্বস্তিদায়ক পর্যায়ে আসেনি।

এদিকে ভোজ্য তেলের দাম আবারও বেড়েছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে কেজিতে তিন থেকে পাঁচ টাকা। এ ছাড়া চাল, ডাল, চিনির বাজার আগে থেকেই চড়া অবস্থায় আছে।

গতকাল রাজধানীর খুচরা বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে ১৩০ টাকা হয়েছে। গত সপ্তাহে ১২৫ থেকে ১২৭ টাকা কেজিতে কেনা গিয়েছিল। এর সপ্তাহ দুয়েক আগে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছিল ১৩৩ টাকা কেজি পর্যন্ত দামে। সয়াবিনের সঙ্গে বেড়েছে পাম তেলের দামও। বিক্রেতারা পাম তেলের কেজি চাইছেন ১২০ থেকে ১২২ টাকা। গত সপ্তাহে ১১৮ টাকা কেজি পাওয়া গিয়েছিল।

এদিকে পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বেড়ে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা হয়েছিল। এ ছাড়া ভারতীয় আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে। একই আদা গত সপ্তাহে ১৬০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। চায়না আদার দাম আগের মতোই ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রসুনও আছে আগের মতোই ৮০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি।

তবে ঈদের অন্যতম পণ্য গরম মসলার দাম পাইকারিতে কম হলেও খুচরায় বিক্রি হচ্ছে যেমন খুশি দামে। মৌলভীবাজারে ভালো মানের এলাচ কিনতে পাওয়া যায় দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকা কেজি। খুচরায় এ মানের এলাচ ১০০ গ্রাম বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকাতে।

গোপীবাগ বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আলম বলেন, পেঁয়াজের দাম কিছুদিন বেশি ছিল। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ তখন কম ছিল। এখন সরবরাহে সমস্যা নেই। এ ছাড়া ভারতও বন্ধের কোনো ঘোষণা দেয়নি। তাই এবার ঈদে পেঁয়াজ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে না। আদার সরবরাহও ভালো।

মালিবাগ বাজারে পণ্য কিনতে আসা আসলাম নামের একজন ক্রেতা বলেন, ‘প্রতিবছরই ঈদ এলে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, তেল এসব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন বিক্রেতারা। এবার আগেই বাড়ানো হয়েছে। তবে পেঁয়াজের দাম যেভাবে বাড়ছিল তাতে আমরা আতঙ্কিত ছিলাম। সেই দাম নেমেছে এটাই মন্দের ভালো। আবার বাড়বে না এটারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।’

 



সাতদিনের সেরা