kalerkantho

শনিবার । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩১ জুলাই ২০২১। ২০ জিলহজ ১৪৪২

সবিশেষ

তিমির পেটে কিছু সময়!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিমির পেটে কিছু সময়!

ছবি: ইন্টারনেট

যুক্তরাষ্ট্রের একজন লবস্টার শিকারিকে গিলে ফেলে বিশাল আকৃতির হ্যাম্পব্যাক তিমি। অবশ্য এর পরপরই তিমিটি ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়। এ যাত্রায় ভুক্তভোগীর গোড়ালি মচকে যাওয়া ছাড়া আর কোনো ক্ষতি হয়নি।

প্রাণে বেঁচে যাওয়া মাইকেল প্যাকার্ড জানিয়েছেন, সেই সময় তিনি সাগরের নিচে লবস্টার বা বড় আকারের চিংড়ি মাছের খোঁজ করছিলেন। তখন বিশাল ওই তিমিটি তাঁকে গিলে ফেলে। ৩০-৪০ সেকেন্ড তিনি তিমির পেটের মধ্যে থাকেন। এরপর তিমিটি তাঁকে মুখ থেকে থুতুর সঙ্গে বের করে দেয়। হ্যাম্পব্যাক তিমি ৫০ টি পর্যন্ত লম্বা হয় এবং একেকটির ওজন হতে পারে প্রায় ৩৬ টন। ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ডের তথ্য অনুযায়ী, এখন বিশ্বে এ রকম তিমির সংখ্যা প্রায় ৬০  হাজার।

৫৬ বছরের মাইকেল প্যাকার্ড বলেন, ‘আমি এবং আমার সহযোগী আমাদের নৌকা জা’ন জে নিয়ে শুক্রবার সকালে হেরিং কোভে যাই। সেখানে পরিবেশ ছিল চমৎকার এবং পানিতে দৃষ্টিসীমা ছিল প্রায় ২০ ফিট। স্কুবা গিয়ার নিয়ে নৌকা থেকে পানিতে নেমে ডুব দেওয়ার পরেই আমি বিশাল একটা ধাক্কা অনুভব করলাম এবং সব কিছু অন্ধকার হয়ে গেল।’

মাইকেল প্যাকার্ড ধারণা করেছিলেন, তিনি হয়তো বিশাল আকৃতির সাদা তিমির হামলার শিকার হয়েছেন, যেগুলো ওই এলাকায় সাঁতরে বেড়ায়। তাঁর কথায়, ‘আর তখন আমি আশপাশে অনুভব করছিলাম আর বুঝতে পারলাম যে সেখানে কোনো দাঁত নেই। তারপর বুঝলাম, আমি একটা তিমির মুখের ভেতরে চলে গেছি আর সে আমাকে গিলে ফেলার চেষ্টা করছে। এটাই শেষ, আমি মরে যাচ্ছি।’

প্যাকার্ড বলেন, সেই সময় তিনি স্ত্রী আর তাঁর দুই ছেলের কথা ভাবছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘এরপর হঠাৎ করে সে (তিমি) পানির ওপরে ভেসে উঠে প্রবলভাবে মাথা নাড়তে লাগল। আমাকে যেন বাতাসে ছুড়ে ফেলা হলো আর আমি আবার পানিতে পড়ে গেলাম। আমি মুক্ত হয়ে পানিতে ভেসে রইলাম। আমি সত্যি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না...।’

সূত্র : বিবিসি।