kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

এসিডির জরিপ

পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিক কমছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিক কমছে

পোশাক খাতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা কমছে। এই খাতে নারী শ্রমিকের হার এখন ৫৯ শতাংশ। পাঁচ বছর আগে এই হার ছিল ৬৫ শতাংশ। এই খাতে মোট শ্রমিকের সংখ্যা এখন ৪০ লাখ ২২ হাজার।

পোশাক শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার ওপর পরিচালিত এশিয়ান সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্টের (এসিডি) এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল শনিবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। জরিপে সহযোগিতা দিয়েছে পোশাক খাতের রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ। নারী শ্রমিক কমার কারণ সম্পর্কে জরিপে বলা হয়, কারখানার ধরনের পরিবর্তনের কারণে এটা হয়ে থাকতে পারে। অনেক কারখানা ওভেন থেকে নিটে পরিবর্তিত হয়েছে। গত কয়েক বছরে শিল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে। প্রযুক্তির জ্ঞান ও ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নারীরা কিছুটা পিছিয়ে আছে।

গণনমুনার মাধ্যমে গত জুলাই থেকে আগস্ট সময়ের মধ্যে এই জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মিলে মোট ১৬০ কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জরিপকারী দল। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এ কে এনামুল হক এতে নেতৃত্ব দেন।

জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গতকাল অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এক আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রাঞ্জি তেরিক বলেন, পোশাক খাতে কেন নারী শ্রমিকের সংখ্যা কমছে, তা খুঁজে বের করা দরকার। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়াইনেন বলেছেন, নারী শ্রমিকের সংখ্যা বাড়াতে তাদের দক্ষতা ও মৌলিক শিক্ষায় যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে। আলোচনাসভায় যোগ দেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক, গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব কে এম আব্দুস সালাম, বিজিএমইএর সহসভাপতি আরশাদ জামাল দীপু প্রমুখ।

জরিপের তথ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় তুলে ধরে অধ্যাপক এ কে এনামুল হক বলেন, ২০১৫ সালেও একই ধরনের জরিপ করেছেন তাঁরা। পোশাক খাতে গত পাঁচ বছরে গুণগত কী পরিবর্তন হয়েছে, তা দেখতে এবারও জরিপ চালানো হয়।

মন্তব্য