kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

হাইকোর্টের আদেশ খুলনায় পৌঁছাতে আড়াই বছর পার

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা   

৪ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাইকোর্টের আদেশ খুলনায় পৌঁছাতে আড়াই বছর পার

খুলনা নগরীর বহুল আলোচিত জাপা নেতা শেখ আবুল কাশেম হত্যা মামলায় স্থগিত বিচার কার্যক্রম গতকাল বুধবার ফের শুরু হয়েছে। এদিন একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ২৬ বছর আগে জাপা নেতা ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি শেখ আবুল কাশেম ও তাঁর গাড়িচালককে হত্যা করা হয়েছিল। এদিকে এ মামলার স্থগিত প্রত্যাহারসংক্রান্ত হাইকোর্টের একটি আদেশ ঢাকা থেকে খুলনায় পৌঁছাতে দুই বছর সাত মাস সময় লেগেছে। এতে বিচারিক আদালত জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক রেজিস্ট্রারের কাছে চিঠি দিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন।

প্রসঙ্গত, হত্যা মামলাটির বিচারকাজ উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত ছিল। ২০১৮ সালের ২ আগস্ট এই স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার করা হয় এবং বিচারকাজ পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে বলা হয়। কিন্তু আদেশটি খুলনায় এসে পৌঁছে গত ৩ জানুয়ারি।

গতকাল বুধবার বিচারকাজ শুরুর প্রথম দিনে জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন অবসরপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাগির আহমেদ। তিনি এই মামলায় চরমপন্থী নেতা তারেকের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করেছিলেন। মামলার অন্যতম আসামি জাপা নেতা মুশফেকুর রহমান মুশফেকসহ তিন ভাইকে পলাতক দেখানো হয়েছে। জামিনে থাকা দুই আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গাফফার বিশ্বাস ও শিল্পপতি তরিকুল হুদা টপি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আরিফ মাহমুদ লিটন স্থগিত আদেশ প্রত্যাহারসংক্রান্ত নির্দেশনা  হাইকোর্ট থেকে খুলনা আদালতে পৌঁছাতে আড়াই বছরের বেশি সময় লাগায় বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান,  বিচারক লিখিতভাবে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রারকে জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, মামলার অন্যতম আসামি জাপা নেতা মুশফেকুর রহমান ও তাঁর দুই ভাইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আগামী ১৫ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য হয়েছে।

মন্তব্য