kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

ভাষাসৈনিক এ কে এম শামসুজ্জোহার আজ মৃত্যুবার্ষিকী

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




ভাষাসৈনিক এ কে এম শামসুজ্জোহার আজ মৃত্যুবার্ষিকী

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ভাষাসৈনিক এ কে এম শামসুজ্জোহার ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। এ উপলক্ষে মরহুমের পরিবার, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো দিনভর নানা কর্মসূচি পালন করবে।

শামসুজ্জোহার জন্ম ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারে। তাঁর বাবা জননেতা খান সাহেব ওসমান আলীও ছিলেন ভাষাসৈনিক, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সাবেক এমএনএ। ঐতিহ্যবাহী এই পরিবারের আদি নিবাস নারায়ণগঞ্জের ‘বায়তুল আমান ভবন’ আজও কালের সাক্ষী হয়ে আছে। ভাষা আন্দোলনের সময় এই বায়তুল আমান ভবনে তৎকালীন পাকিস্তানি বাহিনী ওসমান পরিবারের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। এই বিষয়টি উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতেও। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের শরণার্থী শিবিরে ‘ত্রাণবন্ধু’ নামে পরিচিত ছিলেন শামসুজ্জোহা।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা, বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক বঙ্গবন্ধু পরিবারকে মুক্ত করতে গিয়ে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এ কে এম শামসুজ্জোহা ছিলেন আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন। গণপরিষদের সদস্য ও স্বাধীনতা-পরবর্তী জাতীয় সংসদের সদস্যও ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখায় শামসুজ্জোহাকে ২০১২ সালে স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর) দেওয়া হয়।

প্রয়াত শামসুজ্জোহার স্ত্রী নাগিনা জোহাও ছিলেন ভাষাসৈনিক। তাঁর বড় ছেলে নাসিম ওসমান সংসদ সদস্য ছিলেন। মেজো ছেলে এ কে এম সেলিম ওসমান ও ছোট ছেলে এ কে এম শামীম ওসমান একাধিকবার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আজ সকাল ১১টায় মুছাপুরে ‘শামসুজ্জোহা বিএম উচ্চ বিদ্যালয়ে’ এবং বিকেলে মাসদাইর কবরস্থান জামে মসজিদে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তাতে সবাইকে শরিক হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন সেলিম ওসমান ও শামীম ওসমান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা