kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

এক শিক্ষক বরখাস্ত, দুজনকে অপসারণ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক শিক্ষক বরখাস্ত, দুজনকে অপসারণ

অসদাচরণ ও প্রশাসনবিরোধী কার্যক্রমসহ নানা অভিযোগে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে দুই শিক্ষককে। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২১২তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বরখাস্তকৃত শিক্ষক হলেন বাংলা ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল ফজল। আর অপসারণ করা হয়েছে ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরী ও বাংলা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক শাকিলা আলমকে।

সিন্ডিকেটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য বলেন, ‘গত ১৮ জানুয়ারির সিন্ডিকেট সভায় তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর নিয়মানুযায়ী আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য চিঠি দেওয়া হয় তাঁদের। অভিযুক্ত তিনজন ২১ জানুয়ারি চিঠির জবাব দেন। আজ (শনিবার) সিন্ডিকেটের ২১২তম সভায় তিন শিক্ষকের জবাব নিয়ে পর্যালোচনা হয়। পর্যালোচনা শেষে তাঁদের শাস্তি চূড়ান্ত করে সিন্ডিকেট।’

সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুযায়ী, বরখাস্ত কিংবা চাকরিচ্যুত করা হলে কোনো সরকারি কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী ভবিষ্যতে অন্য কোনো সরকারি চাকরিতে অথবা আইনবলে বা আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত কোনো সংস্থায় নিয়োগ লাভে অযোগ্য বিবেচিত হবেন। তবে অপসারিত হলে পুনর্নিয়োগে অযোগ্য বিবেচিত হবেন না।

সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সহকারী অধ্যাপক আবুল ফজল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন থেকে শুরু করে কোনো কার্যক্রমেই আমাদের সহযোগিতা করা হয়নি। তদন্ত কমিটির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব করা হয়েছিল, সেটাও আমলে নেওয়া হয়নি। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের কাগজ হাতে পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

এদিকে নিজেদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালনের পঞ্চম দিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ইমামুল ইসলাম সোহান। তাঁকে গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবর্তে অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন একই ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জোবায়ের হোসেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা