kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন

আওয়ামী লীগের ১০০ দিনের অগ্রাধিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগের ১০০ দিনের অগ্রাধিকার

চট্টগ্রামকে বিশ্বমানের উন্নত ও নান্দনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ৩৭ দফা প্রতিশ্রুতি দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে তিনি নির্বাচনী এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. অনুপম সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা  পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান প্রমুখ।

৩৭ দফা ইশতেহারে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরকে গতিশীল রেখেই সাজাতে হবে এ নগরকে। নির্বাচিত হলে আমার ধারাবাহিক উন্নয়নসূচি (৩৭ দফা) বাস্তবায়ন করা হবে।’ ইশতেহারের প্রথমেই রয়েছে ‘জলাবদ্ধতা নিরসন’, এরপর রয়েছে ১০০ দিনের অঙ্গীকার।

ইশতেহার পাঠ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন রেজাউল করিম চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও চসিকের সাবেক মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগের আ জ ম নাছির উদ্দীন প্রমুখ।

ইশতেহারে ১০০ দিনের অগ্রাধিকারে বলা হয়, জলাবদ্ধতা নিরসনে মহাপরিকল্পনা ও নগর উন্নয়নে ডেল্টা প্ল্যান সঠিকভাবে বাস্তবায়নে যাতে দীর্ঘসূত্রতা না হয়, সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থা ও সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সঙ্গে বসে তা ঠিক করা হবে। নগরের দখল করা খাল, নালা, নদী পুনরুদ্ধার ও পানি নিষ্কাশন উপযোগী করতে ১০০ দিনের মধ্যে সব ত্রুটি ও প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা সমাধানে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

ইশতেহারে দেওয়া অন্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে—যানজট সমস্যা থেকে উত্তরণ, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, নালা-নর্দমা, খাল-নদীর দখলদার উচ্ছেদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, চট্টগ্রামকে পর্যটন রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়ানো, প্রধানমন্ত্রীর উপহার চলমান মেগাপ্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন, বন্দরসহ সব সেবা খাতের উন্নয়ন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ, বধ্যভূমি চিহ্নিত করে সুরক্ষা করা হবে।

মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী আরো বলেন, ‘নগরের বিপুল জনগোষ্ঠীকে ন্যূনতম সেবা দিতে পারাটাই আসল যোগ্যতা। সবার সহযোগিতা পেলে যোগ্যতার পরীক্ষায় জিতব বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমার কিছুই পাওয়ার নেই। সুযোগ পেলে নিজের মেধা-মনন, কর্ম দিয়ে নগরবাসীর সেবায় জীবন উৎসর্গ করাই আমার অঙ্গীকার।’ তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। ঘন সবুজের দেয়ালঘেরা পাহাড়, নদী, সাগর, হ্রদ, ঝিলের সমন্বয়ে প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়েছে চট্টগ্রামকে। দেশের প্রবেশদ্বার চট্টগ্রাম বন্দর। জাতীয় অর্থনীতি চট্টগ্রাম বন্দরকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। জাতীয় আমদানি-রপ্তানির ৮৫ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পরিচালিত হয়। স্বাভাবিক কারণে চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা। নির্বাচনে জিতলে এই চট্টগ্রামকে আরো এগিয়ে নেওয়াই হবে আমার মূল কাজ।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা