kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১২ রজব ১৪৪২

বরিশালে আ. লীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টা

থানা ঘেরাওয়ের পর মামলা নিল পুলিশ

থানা ঘেরাওয়ের পর মামলা নিল পুলিশ

বরিশাল অফিস   

২১ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



থানা ঘেরাওয়ের পর মামলা নিল পুলিশ

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যবসায়ী নেতা ও তাঁর দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে কাউনিয়া থানায় মামলাটি করেন ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ হাওলাদার। দুপুরে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা থানা ঘেরাও ও গণপরিবহন বন্ধ করে দেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মামলা নেয় পুলিশ।

মামলায় আসামি করা হয়েছে বিসিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও ফরচুন শুজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, তাঁর দুই ভাই মোহাম্মদ শফিক ও রবিউলকে।

মামলার এজাহারে সোহাগ হাওলাদার অভিযোগ করেন, মিজানুর রহমান ফরচুন শুজের কারখানায় আটকে রেখে শটগান দিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করেন। পরে ওই কারখানার শ্রমিক ও পুলিশের সহায়তায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

সোহাগের অভিযোগ, ফরচুন শুজ কম্পানির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে আসছিলেন তিনি। তিনি অনেক টাকা পাওনা। সে টাকা চাইতে গেলে মিজানুর রহমান তাঁকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিতেন। গতকাল সকাল ১১টার দিকে টাকার জন্য ফরচুন শুজ কারখানায় যান তিনি। তখন মিজান, তাঁর ভাই শফিক ও রবিউল তাঁকে কারখানায় আটকে রেখে প্রথমে শারীরিক নির্যাতন করেন। তাঁর অণ্ডকোষেও আঘাত করা হয়। পরে শটগান দিয়ে তাঁকে আঘাত করেন মিজান। তাঁর অভিযোগ, এ ঘটনার পর দুপুরে তিনি মামলা করার জন্য কাউনিয়া থানায় যান। কিন্তু পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তিনি মহানগর আওয়ামী লীগকে বিষয়টি জানান।

জানা যায়, মামলা না নেওয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা থানা ঘেরাও করেন। একপর্যায়ে রাতে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিলে এবং দলের নেতাকর্মীরা থানায় অবস্থান নিলে পুলিশ মামলা নিতে বাধ্য হয়।

নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও প্যানেল মেয়র গাজী নাজমুল ইসলাম লিটন বলেন, সোহাগ কাউনিয়া থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ টালবাহানা শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে তাঁরা নেতাকর্মীরা মিলে কাউনিয়া থানায় অবস্থান নেন।

ফরচুন শুজ লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, সোহাগ তাঁর প্রতিষ্ঠানের দুই নারী কর্মীকে উত্ত্যক্ত করেছিলেন। তিনি এটার প্রতিবাদ করেছেন। এর বাইরে কোনো ঘটনা ঘটেনি।

কাউনিয়া থানার ওসি আজিজুল করিম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। প্রথমে মামলা না নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। প্রাথমিক তদন্তের জন্য সময় প্রয়োজন ছিল।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা