kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ মাঘ ১৪২৭। ২১ জানুয়ারি ২০২১। ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

আর একটি স্প্যানে পুরো পদ্মা সেতু

বিজয় দিবসের আগে সেতুর ৬.১৫ কিলোমিটারই দৃশ্যমান হওয়ার আশা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আর একটি স্প্যানে পুরো পদ্মা সেতু

মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের পদ্মা সেতুর ১১ ও ১২ নম্বর পিলারের ওপর গতকাল বসানো হয়েছে ৪০তম স্প্যান। ছবি : কালের কণ্ঠ

পদ্মা সেতুতে বসানো হলো ৪০তম স্প্যান (২-ই)। এতে দৃশ্যমান সেতুর ছয় কিলোমিটার। আর একটি স্প্যান বসলেই যুক্ত হবে সেতুর এপার-ওপার। আগামী ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের আগেই শেষ স্প্যানটি বসাতে চাইছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

গতকাল শুক্রবার মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ১১ ও ১২ নম্বর পিলার বা খুঁটির ওপর সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে ৪০তম স্প্যানটি সফলভাবে বসানো হয়। ৩৯তম স্প্যান বসানোর আট দিনের মাথায় বসল এটি। আর ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের শেষ বা ৪১তম স্প্যানটি বসানো হলে ছয় হাজার ১৫০ মিটার সেতুর পুরোটা জুড়ে যাবে।

গত দুই মাসে সেতুতে আটটি স্প্যান বসিয়ে রেকর্ড করেছেন দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীরা। বিজয়ের মাসে এই গতি ধরে রেখে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ স্প্যান বসানোর ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের জানান, ৪০তম স্প্যানটি বসানোর ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রকৌশলীদের বেগ পেতে হয়নি।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে প্রথম স্প্যান বসানো হয়। পদ্মা সেতু নির্মাণে প্রয়োজন হবে দুই হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব। এ ছাড়া দুই হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে বসানো স্প্যানগুলোতে এসব স্ল্যাব বসানো হচ্ছে।

৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বহুমুখী পদ্মা সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এর কাঠামো। সেতুর ওপরের অংশে যানবাহন ও নিচ দিয়ে চলবে ট্রেন। মূল সেতু নির্মাণে কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানি (এমবিইসি) এবং নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা