kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

মাদক সেবনসহ নানা অপরাধ

কুষ্টিয়ার ১৬ পুলিশ সদস্য চাকরিচ্যুত

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

১ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুষ্টিয়ার ১৬ পুলিশ সদস্য চাকরিচ্যুত

ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণসহ বিভিন্ন অভিযোগে কুষ্টিয়ার ১৬ পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদক সেবনের দায়ে আটজন এবং হত্যা মামলাসহ অন্যান্য অপরাধে আরো আটজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। তবে পুলিশ চাকরিচ্যুতদের নাম প্রকাশ করেনি। এ ছাড়া আরো দুজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ডোপ টেস্টে পুলিশের আট সদস্য নিয়মিত ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক সেবন করতেন বলে প্রতিবেদনে উঠে আসে। প্রতিবেদন হাতে পেয়ে পুলিশ সুপার তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেন। এসব মাদক সেবনকারী বিভিন্ন থানায় ও ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে গত দেড় বছরে ১২ পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করিয়ে আটজনের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব মেলে। দুজনের কাছে ইয়াবা ও গাঁজা পাওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। অন্য দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। মাদকের কারণে চাকরিচ্যুতদের মধ্যে দুজন উপপরিদর্শক (এসআই), দুজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও চারজন কনস্টেবল রয়েছেন। অন্য আটজনের বিরুদ্ধে খুন, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ দাখিল, চাকরির আগে বিয়েসহ নানা অভিযোগ থাকায় চাকরিচ্যুত করা হয়।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত জানান, ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম একজন এসআইয়ের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের বিষয়টি জানার পর পরীক্ষা করা হয়। এরপর একই বছরের ২৭ জুলাই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সর্বশেষ গত ২৮ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া ট্রাফিকে কর্মরত এক সার্জেন্টের বিরুদ্ধে একই অপরাধে মামলা করে পুলিশ। পুলিশ সদস্যদের মাদক সেবনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বিভাগীয় মামলার পাশাপাশি তাঁদের বিভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়। এরপর গত দেড় বছরে পর্যায়ক্রমে ডোপ টেস্ট করে মাদক সেবনের ব্যাপারটি চূড়ান্ত প্রমাণিত আটজন এবং অন্য অপরাধে আটজনসহ ১৬ পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

 

মন্তব্য