kalerkantho

বুধবার। ৬ মাঘ ১৪২৭। ২০ জানুয়ারি ২০২১। ৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

যাত্রীবেশে নাইট কোচে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ দুজন

সৌদিয়া পরিবহনের বাসটি চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ যাচ্ছিল

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২৮ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যাত্রীবেশে নাইট কোচে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধ দুজন

সৌদিয়া পরিবহনের একটি বাসে অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে সংঘবদ্ধ একটি ডাকাতদল। তাদের বাধা দেওয়ায় দুজন গুলিবিদ্ধসহ মারধরে আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ যাত্রী। ডাকাতদলের সাতজন যাত্রীবেশে বাসটিতে উঠেছিলেন। এর বাইরে বাসটিতে যাত্রী ছিলেন ৩৭ জন।

গত বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার ফাঁসিয়াখালী পাহাড়ি ঢালায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বাসটি চট্টগ্রাম থেকে টেকনাফ যাচ্ছিল।

গুলিবিদ্ধ দুজনকে প্রথমে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁরা হলেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পানছড়ি গ্রামের আবদুল্লাহ আল মামুন (২৭) এবং চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার হিলভিউ এলাকার বাসিন্দা রাকিব উদ্দিন (৩০)। মামুনের পেটে গুলি লাগায় তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁর বড় ভাই কামরুল ইসলাম শাকিল।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা, অন্তত ২০টি মোবাইল ফোনসেট ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। ডাকাতি শেষে খুটাখালীর ফুলছড়ি নতুন অফিস এলাকায় ডাকাতরা বাস থেকে নেমে যায়।

এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা এলাকার বিল্লাল হোসেন জনি (২৬)। ভুক্তভোগী এই যাত্রী কালের কণ্ঠকে জানান, গুলিবিদ্ধ রাকিবসহ তাঁরা সাত বন্ধু কক্সবাজার যাওয়ার উদ্দেশে চট্টগ্রামের সিনেমা প্যালেস থেকে বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে সৌদিয়া পবিহনের বাসটিতে ওঠেন। পরে নতুন ব্রিজ কাউন্টার থেকে বাসে ওঠেন লুঙ্গি পরা সাতজন। মহাসড়কের ফাঁসিয়াখালী পাহাড়ি ঢালায় বাসটি পৌঁছলে এই সাতজন অস্ত্রের মুখে চালক-হেলপারসহ বাকিদের জিম্মি করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নুরেখোদা সিদ্দিকী কালের কণ্ঠকে জানান, কী পরিমাণ টাকা, মোবাইল, অলংকার খোয়া গেছে তা তদন্তের পর জানা যাবে। ডাকাতদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

ঘটনার বিস্তারিত জানতে বাসসংশ্লিষ্ট তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চকরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশরাফ হোসেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা