kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

চড়া দামেই স্থির নিত্যপণ্য সবজি বাজার

আমদানি করা পেঁয়াজ আসছে, কমছে দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে




চড়া দামেই স্থির নিত্যপণ্য সবজি বাজার

গত সপ্তাহের মতো চলতি সপ্তাহেও চড়া দামেই স্থির হয়ে আছে চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজার। সবজির দামও কমছে না। অবশ্য আলু সরকার নির্ধারিত দরে বিক্রি না হলেও কিছুটা কমেছে। আশার কথা হলো, আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসছে। দামও কমছে।

চালের চড়া দামেই স্থির রয়েছে বাজারে। আমন ধান ওঠার খবরেও কমেনি চালের দাম, বরং দু-একটিতে বেড়েছে। মিনিকেট ও নাজিরশাইল কিনতে হচ্ছে ৫৬ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

রাজধানীর মানিকনগর বাজারের মরিয়ম স্টোরের চাল বিক্রেতা আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, চিকন চালে না বাড়লেও ব্রি-২৮ এবং মাঝারি মানের চালে কেজিপ্রতি এক টাকা করে বেড়েছে দাম। আগে যে চাল ৫০ টাকায় বিক্রি হতো এখন তা ৫১ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। আটাশ আগে ৪৮-৪৯ টাকায় বিক্রি করা যেত, এখন ৫০ টাকার নিচে বিক্রি করা যায় না।

ভোজ্য তেল সয়াবিন ও পামের দাম মিলগেটে লিটারে দুই টাকা কমানো হলেও খুচরা বাজারে তার কোনো প্রভাব নেই। খোলা সয়াবিন তেল আগের মতোই ৯৭-১০০ টাকা লিটার এবং খোলা পাম তেল ৮৮-৮৯ টাকা লিটার দরে বিক্রি হচ্ছে। কমেনি মসুর ডালের দামও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫-১২০ টাকা দরে।

গতকাল রাজধানীর মানিকনগর, মুগদা, মালিবাগ, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গেটের কাঁচাবাজারসহ খুচরা বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৭০-৯০ টাকা, টমেটো ১১০-১২০ টাকা, পটোল ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেজিতে ১০ টাকা কমে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১৩০ টাকা দরে এবং শিম ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরে। ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা দরে। লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রতিটি ৪০-৬০ টাকায়। আর লাউশাক ৩০-৪০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুগদা বাজারের সবজি বিক্রেতা আনোয়ার বলেন, দু-এক সপ্তাহ পর থেকে সবজির দাম কমা শুরু হবে। তখন নতুন সবজি পাওয়া যাবে বাজারে।

সরকার আলুর দাম প্রতি কেজি ৩৫ টাকা বেঁধে দিলেও এই দামে পাওয়া যাচ্ছে না কোথাও। বাজারে এখন মানভেদে আলু ৪২-৪৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। এখন তুরস্ক, চীন ও মিয়ানমারের বড় পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজি দরে। অবশ্য দেশি পেঁয়াজ এখনো প্রতি কেজি ৮৫-৯৫ টাকাই রয়েছে। আগের মতোই ভারত থেকে আনা আদা ১০০ টাকা কেজি আর চীনের আদা ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা