kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

হাজি সেলিম ও ইরফানের সম্পদের তথ্য নিচ্ছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাজি সেলিম ও ইরফানের সম্পদের তথ্য নিচ্ছে দুদক

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজি সেলিম ও তাঁর ছেলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর ইরফান সেলিমের সম্পদের প্রাথমিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান গতকাল বুধবার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, শিডিউলভুক্ত অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুদক প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মোজাম্মেল হক আরো বলেন, ‘হাজি সেলিম এবং তাঁর ছেলে ইরফান সেলিমের ব্যাপারে আমরা মিডিয়ায় সংবাদ পরিবেশিত হতে দেখেছি; বিষয়গুলো আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত। তবে অবৈধ সম্পদের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা পরিষ্কার নয়। অবৈধ সম্পদের বিষয়গুলো যদি দুদকের শিডিউলের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় এবং শিডিউলভুক্ত অপরাধের শামিল হয়, তাহলে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব এবং দুদকের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘সরকারের জায়গা বা সম্পত্তি হোক, যদি দখল হয় তাহলে দুদক আইনের আওতাভুক্ত হলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খানকে মারধরের ঘটনায় গত সোমবার ইরফান সেলিম ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে ধানমণ্ডি থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন ইরফান সেলিমের দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ, হাজি সেলিমের মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এ বি সিদ্দিক দীপু, গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাতপরিচয়  আরো দুই-তিনজন।

অভিযোগ, ২৫ অক্টোবর রাতে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে ওয়াসিফ আহমদের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় হাজি সেলিমের একটি গাড়ি। ধাক্কা দেওয়ার কারণ জানতে পেছন পেছন এলে কলাবাগানের ট্রাফিক সিগন্যালে হাজি সেলিমের গাড়ি থেকে দুই-তিনজন নেমে ওয়াসিফ আহমদকে ফুটপাতে ফেলে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। পরিচয় দেওয়ার পরও তাঁকে গালাগাল করেন, হুমকি দেন। পথচারীরা এই দৃশ্য ভিডিও করে, যা মুহূর্তে ভাইরাল হয়।

পরদিন ২৬ অক্টোবর র‌্যাব পুরান ঢাকার চকবাজারের ২৬ নম্বর দেবীদাস লেনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের বাসায় অভিযান চালায়। ইরফান সেলিম ও তাঁর দেহরক্ষী জাহিদকে হেফাজতে নেয়। বাসায় অবৈধভাবে মদ এবং ওয়াকিটকি রাখার দায়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের এক বছর করে কারাদণ্ড দেন। হাজি সেলিমের গাড়িচালক মিজানুর রহমান ও মামলার আরেক আসামি এ বি সিদ্দিক দীপুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা