kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা

ডিআইজি মিজানের বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডিআইজি মিজানের বিচার শুরু

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এ আদেশ দেন। আগামী ২৭ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

অন্য আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, তাঁর ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান। তাঁদের মধ্যে সোহেলিয়া আনার ও মাহবুবুর রহমান পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ডিআইজি মিজান ও তাঁর ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের আইনজীবীরা তাঁদের নিরপরাধ দাবি করে এ মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ অব্যাহতির আবেদনের বিরোধিতা করে অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করে। পরে আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পলাতক দুই আসামি সোহেলিয়া ও মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে গত ২৪ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) সংস্থার পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তিন কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ৩০ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

মামলার পর আত্মগোপনে থাকা ডিআইজি মিজান গত ১ জুলাই হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ হয় এবং তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গত ২ জুলাই আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তাঁর ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান ৪ জুলাই একই আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে করা আরো একটি মামলার বিচার চলছে। এ মামলার আরেক আসামি হলেন দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়টি দুদক অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেয়। অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় এনামুল বাছিরকে। অনুসন্ধান চলাকালে গত বছরের ৯ জুন বিভিন্ন গণমাধ্যমে এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছেন ডিআইজি মিজানুর রহমান এমন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা