kalerkantho

সোমবার । ১০ কার্তিক ১৪২৭। ২৬ অক্টোবর ২০২০। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধ

সাত হাজার স্থানে পুলিশের সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাত হাজার স্থানে পুলিশের সমাবেশ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ। গতকাল রাজধানীর শাহবাগ থানার ৫ নম্বর বিট থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নারী ও শিশু নির্যাতনসহ যেকোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ সোচ্চার। সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ও সমর্থনে এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর পুলিশ।

দেশজুড়ে ছয় হাজার ৯১২টি স্থানে গতকাল শনিবার সকালে একযোগে অনুষ্ঠিত ‘নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী সমাবেশে’ বক্তারা এমন বার্তা দিয়েছেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশে পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত একযোগে সমাবেশ করেছে পুলিশ। দেশের ৬৬০ থানায় এলাকাভিত্তিক গঠন করা ছয় হাজার ৯১২ বিটে এই সমাবেশ হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে আয়োজিত এই সমাবেশ থেকে ধর্ষণ ও নারী-শিশু নির্যাতন বন্ধে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। এতে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুধীসমাজের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, নারী ও শিশু অধিকার কর্মী, মসজিদের ইমামসহ ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় নারী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা উপ?স্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা ধর্ষণসহ যেকোনো ধরনের নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টি করতে এবং নির্যাতিত নারী ও শিশুর পাশে থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, ধর্ষণ-নিপীড়ন বন্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এই অপরাধে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয় গতকালের সব সমাবেশে।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) সোহেল রানা জানান, গতকাল সকাল ১০টায় বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে সারা দেশে ছয় হাজার ৯১২টি বিটে একযোগে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী সমাবেশ হয়েছে। অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে বিট পুলিশিং কেন্দ্রের ছয় হাজার ৯১২টি ফেসবুক পেজে। এতে লাখ লাখ নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিল এবং কোটি কোটি দর্শক ও সাধারণ মানুষ এই সমাবেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছে। নিঃসন্দেহে ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতনবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এরই মধ্যে প্রতিটি বিটের নিজস্ব একটি ফেসবুক পেজ খোলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্প্রতি সারা দেশের থানাগুলোর এলাকাকে বিটে ভাগ করে একজন উপপরিদর্শককে (এসআই) এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখার জন্য বিটে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা রয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা