kalerkantho

সোমবার । ১১ মাঘ ১৪২৭। ২৫ জানুয়ারি ২০২১। ১১ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সবিশেষ

মানুষ ছাড়াই অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মানুষ ছাড়াই অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা!

গাড়ির রেস, লং জাম্প, ট্রায়াথলন—সব খেলায় একজন পারদর্শী হবেন—এমন মানুষ নিশ্চয় নেই। তবে নেদারল্যান্ডসের দুই ভাই একটি বস্তুকে এসব ক্ষেত্রে সেরা করে তুলেছেন। ‘মার্বুলা ওয়ান’ এক অন্য স্বাদের ফর্মুলা ওয়ান প্রতিযোগিতা। সেখানে ১৬টি মার্বেলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যায়। শুধু গাড়ির রেস নয়, অ্যাথলেট হিসেবে লং জাম্প থেকে ট্রায়াথলনের মতো অনেক ক্ষেত্রে পারদর্শী এই বস্তুটি। প্রতি সপ্তাহে হাজার হাজার মানুষ ইউটিউবে সেই প্রতিযোগিতা দেখে।

আমস্টারডাম থেকে প্রায় এক ঘণ্টার পথ সোয়াগডাইকর। সেখানে প্রতিযোগিতার জন্য মার্বেল প্রস্তুত করা হয়। ডিয়ন বাকার সেই মার্বেল রেসের উদ্যোক্তা। তিনি বলেন, ‘এ এক ধরনের জাদু। মনেই থাকে না, মার্বেল দিয়ে খেলা হচ্ছে। মনে হয় আসল ক্রীড়া, আসল অ্যাথলেট নিয়ে সব কিছু হচ্ছে। ধারাবিবরণী, বিলবোর্ড—সব মিলিয়ে আসল ক্রীড়ার স্বাদ পাওয়া যায়।’ ইয়েলে ও ডিয়ন বাকার নামের দুই ভাই এই প্রকল্পের নেপথ্যে আছেন। তাঁদের চ্যানেলের নাম ‘ইয়েলেস মার্বেল রান’। ছোট ছোট ভিডিওর জন্য খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতি যত্ন নিয়ে তাঁরা প্রতি সপ্তাহে মার্বেলের ট্র্যাক তৈরি করেন। অনেক বছর ধরে ইয়েলে বাকার তাঁর মার্বেলের জগৎ গড়ে তুলেছেন। অলিম্পিক বিজয়ীদের সম্মান জানানোর মঞ্চ গড়ে তুলতে তাঁর বেশ কয়েক দিন সময় লেগেছে। দর্শকদের উল্লাস নিয়ে অ্যাথলেটদের ভাবতে হয় না।

দুই ভাই যখন বাগানে মার্বেল নিয়ে খেলা করতেন, তখন তাঁরা ভাবতেই পারেননি যে ইন্টারনেটে তাঁদের ভিডিও এত ক্লিক পাবে। স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ডিয়ন বলেন, ‘আমার মনে আছে, ইয়েলে ২০০৬ সালে ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিল। আমাকে বলেছিল, মার্বেলের প্রতিযোগিতা তৈরি করে সেগুলোর ভিডিও তুলে আমি বিশ্বকে দেখাতে চাই। আমি ভাবলাম, বেশ মজার হবে। এক বছর পর মাত্র কয়েক শ গ্রাহক হয়েছিল।’

বর্তমানে ১২ লাখেরও বেশি গ্রাহক সেই চ্যানেল দেখেন। করোনা সংকটের সময় সংখ্যাটা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। মার্বেলের ভিডিও ভাইরাল হয়ে উঠেছিল। খেলাধুলার অনুরাগীরা লকডাউনের মাঝে গাড়ির রেস বা সাঁতার প্রতিযোগিতার অভাবে নেদারল্যান্ডসের মার্বেল দৌড় দেখেছেন। ডিয়ন বাকার বলেন, ‘মার্বেল কভিড-১৯ থেকে মুক্ত। তাদের সামাজিক ব্যবধান ও মাস্কের প্রয়োজন পড়ে না।’

ইয়েলে ও ডিয়ন বাকারের সময় ভালোই যাচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো প্রতিযোগিতা অপেক্ষা করে আছে। এ ক্ষেত্রে তাঁদের সৃজনশীলতা ছাডা অন্য কোনো সীমা নেই। সূত্র : ডয়েচে ভেলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা