kalerkantho

রবিবার । ১০ মাঘ ১৪২৭। ২৪ জানুয়ারি ২০২১। ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

এমপি পাপুল প্রসঙ্গে কিছুই বলেনি কুয়েত

প্রসঙ্গ তোলেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




এমপি পাপুল প্রসঙ্গে কিছুই বলেনি কুয়েত

কুয়েতে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল প্রসঙ্গে বাংলাদেশকে কিছুই বলেনি ওই দেশটির কর্তৃপক্ষ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তিন দিনের কুয়েত সফর থেকে ফিরে গতকাল বুধবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ওটা নিয়ে কেউ আলাপ করেনি। এটা একটা ক্রিমিনাল কেস। আমরা খুশি যে ওই ব্যক্তি-বিশেষ ওখানে কূটনীতিক হিসেবে যাননি। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে উনি, উনার পরিবার—কেউই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সংগ্রহ করেননি। ওখানে স্থানীয় একজন ব্যবসায়ী হিসেবে উনাকে তারা গ্রেপ্তার করেছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তাঁর কুয়েত সফরে কুয়েতের আমির, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ‘এ নিয়ে তাঁরা আমাদের সঙ্গে কোনো আলাপ করেননি, আমরাও করিনি।’

এমপি পাপুল প্রসঙ্গে কুয়েতে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত কী বললেন, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত বললেন, এ নিয়ে তাঁকে কেউ কিছু বলেননি। তাঁরা একে লোকাল ইস্যু হিসেবে, লোকাল একজন ক্রিমিনাল হিসেবে বিবেচনা করছে। বাংলাদেশি হিসেবে নয়। তাঁর রেসিডেন্ট কার্ড আছে।’

পাপুলের মানবপাচার, মুদ্রাপাচার, শ্রমিক নিপীড়নের মতো অপকর্মের প্রভাব বাংলাদেশের শ্রমবাজারের ওপর পড়বে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কিছু কর্মকর্তা বলেছেন, তিনি (পাপুল) অনেক লোককে চাকরি দিয়েছেন। কুয়েতেও কিছু দুষ্ট লোক আছে। ওদের ঘুষটুষ দিয়ে তিনি ওদের চাকরি দিয়েছিলেন। এখন তারা খুঁজে খুঁজে বের করছে উনার মাধ্যমে কারো চাকরি হয়েছে কি না। সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে ভালো হলে রাখছে, অন্য রকম হলে বের করে দিচ্ছে। তাদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা আছে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এমপি পাপুল ইস্যুতে কুয়েত সফরে তাঁর কোনো অস্বস্তি ছিল না। কারণ তাঁর সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রয়াত আমিরের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শোকবার্তা ও নতুন আমিরের জন্য অভিনন্দনবার্তা পৌঁছে দেওয়া।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা