kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সবিশেষ

মিউটেশনেই তীব্র হচ্ছে করোনার সংক্রমণ!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিউটেশনেই তীব্র হচ্ছে করোনার সংক্রমণ!

করোনাভাইরাসের ক্রমাগত মিউটেশন বা পরিবর্তন ঘটে চলেছে, যার জেরে সময়ের সঙ্গে আরো বাড়ছে তার সংক্রমণক্ষমতা। গত বুধবার এমনটিই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের একদল গবেষক।

হিউস্টন মেথডিস্ট হাসপাতালের ভাইরোলজিস্টরা বলেছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাল স্ট্রেন প্রায় পাঁচ হাজার জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে। এতেই দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি স্ট্রেন একে অপরের থেকে আলাদা। এই ঘন ঘন বদলের জন্য তাদের রিসেপটর বাইন্ডিং ডোমেন অর্থাত্ যে অংশকে কাজে লাগিয়ে তারা মানুষের দেহকোষে ঢুকতে পারে, তারও পরিবর্তন হয়ে যায়। এ কারণেই মানুষের নানা অঙ্গের কোষে ঢোকার রাস্তা খুঁজে নিতে পারে করোনা।

হিউস্টন মেথডিস্ট হাসপাতালের গবেষক জেমস মুসার বলেছেন, সিঙ্গল মিউটেশন হচ্ছে জিনের গঠনে। অর্থাত্ জিন বা ডিএনএর (ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড) যে সম্পূর্ণ বিন্যাস, সেখানে একটি নির্দিষ্ট অ্যামাইনো এসিডের কোডে বদল হচ্ছে। সার্স-কভ-২ ভাইরাস এমনভাবে সেই অ্যামাইনো এসিডের কোড বদলে দিচ্ছে, যাতে তার বিভাজন আরো দ্রুতগতিতে হয়। আর বিভাজনের ফলে তৈরি নতুন স্ট্রেন আরো বেশি সংক্রামক হয়ে ওঠে এবং অনেক বেশিসংখ্যক মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই গবেষণা পর্যালোচনা করে মার্কিন ভাইরোলজিস্ট ডেভিড মোরেনস বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাইরাসটি ব্যাপক হারে ছড়িয়েছে। মিউটেশনের ফলে তার সংক্রমণের ক্ষমতাও বেড়েছে নিঃসন্দেহে। সময়ে সময়ে হাত স্যানিটাইজ করা, মাস্ক পরা, দূরত্ববিধি ইত্যাদির সঙ্গে সাড়া দিয়েই ভাইরাসটিতে বিবর্তন আসছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে; যদিও এই মিউটেশনের কারণেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নয়া দিশা মিলতে পারে বলে মনে করছেন তিনি। তবে শুধু একটিমাত্র গবেষণার ভিত্তিতে উপসংহারে পৌঁছনোর তাড়াহুড়া না করাই মঙ্গল বলে মত ডেভিডের। সূত্র : দ্য ওয়াল, আনন্দবাজার।

 

মন্তব্য