kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সম্রাটের পাচার করা অর্থের বড় অংশই নেই

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া থেকে বাকিটা আনার চেষ্টা চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সম্রাটের পাচার করা অর্থের বড় অংশই নেই

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন সম্রাট হুন্ডির মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন ২২৭ কোটি টাকা। তবে এর বেশির ভাগই তিনি সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় জুয়ার আসর মেরিনা বে-স্যান্ডস ক্যাসিনোতে খরচ করে ফেলেছেন। দেশ দুটিতে সম্রাটের আরো কিছু টাকা আছে। তা ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

দেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর পালিয়ে যান একসময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী যুবলীগ নেতা সম্রাট। একপর্যায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বহিষ্কার করা হয় যুবলীগ থেকেও। ক্যাসিনোসহ অপরাধমূলক নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পরবর্তী সময়ে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এতে দুই কোটি ৯৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য দেওয়া হয়। এরপর বিদেশে থাকা সম্রাটের সম্পদের তথ্য জানতে তদন্তে নামে দুদক।

সম্প্রতি একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে সম্রাটের বিপুল অর্থ পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য আসে দুদকের হাতে। ওই মাধ্যমে পাওয়া তথ্য মতে, ২০১১ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সম্রাট সিঙ্গাপুরে পাচার করেছেন তিন কোটি ৬৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার। প্রতি ডলারের বিনিময়মূল্য ৬২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ২২৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। একই সময়কালে সম্রাট মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন দুই লাখ রিঙ্গিত। প্রতি রিঙ্গিত ২০ টাকা হিসাবে এর বিনিময়মূল্য দাঁড়ায় ৪০ লাখ টাকা।

দুদক কমিশনার (তদন্ত) এ এফ এম আমিনুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘তদন্ত চলছে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগির তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারব।’

দুদকের তদন্ত সূত্র বলছে, সম্রাট এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দুটি দেশে পাচার করেছেন হুন্ডির মাধ্যমে। আর পাচারের বেশির ভাগ অর্থই উড়িয়েছেন সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে-স্যান্ডস ক্যাসিনোতে। বাকি যেটুকু অর্থ আছে, তা দেশে আনতে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে দ্রুতই আইনি সহায়তামূলক চিঠি পাঠানো হবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায়। এর বাইরে দেশে সম্রাটের খুব বেশি সম্পদের তথ্য এখনো পায়নি দুদক।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা