kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

রিফাত হত্যা মামলা

স্ত্রী মিন্নিসহ ১০ আসামির ভাগ্য নির্ধারণ ৩০ সেপ্টেম্বর

বরগুনা প্রতিনিধিf   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্ত্রী মিন্নিসহ ১০ আসামির ভাগ্য নির্ধারণ ৩০ সেপ্টেম্বর

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় স্ত্রী মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির সবার সাজা হবে কি না, হলে কী ধরনের সাজা হবে, সেই রায় ৩০ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করবেন আদালত। গতকাল বুধবার দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান রায়ের এ তারিখ ঘোষণা করেন।

এদিকে উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে তাঁর মনোনীত আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলামের জিম্মায় দিয়েছেন আদালত।

১৫ মাস আগে গত বছরের ২৬ জুন ভরদুপুরে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ যে ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছিল, তাদের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জনের বিচার চলে জজ আদালতে। বাকি ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় বরগুনার শিশু আদালতে আলাদাভাবে তাদের বিচার চলছে।

এ মামলার ১ নম্বর আসামি রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩) বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের ভায়রার ছেলে আর নিহত রিফাতের স্ত্রী মিন্নি (১৯) অভিযোগপত্রের ৭ নম্বর আসামি, যাঁর নাম এ মামলার এজাহারে ছিল এক নম্বর সাক্ষী হিসেবে। প্রাপ্তবয়স্ক বাকি আট আসামি হলেন আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২২), হাসান (১৯), মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)। এঁদের মধ্যে মুসা পলাতক, মিন্নি আছেন জামিনে। বাকিরা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে।

গতকাল সকাল ৯টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হন মিন্নি। কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয় কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকেও।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বরগুনার পাবলিক প্রসিকিউটর ভুবন চন্দ্র হালদার বলেন, গতকাল এই মামলার যুক্তিতর্কের শেষাংশ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। যুক্তিতর্ক শেষ হলে আদালত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলার রায়ের দিন ধার্য করেন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা