kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত, ভাড়াও বেশি

বিআরটিএ বৈঠকে বসছে আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিআরটিএ বৈঠকে বসছে আজ

গণপরিবহনে শারীরিক দূরত্বের নিয়ম মানা হচ্ছে না, অন্যদিকে ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে বেশি। বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ-বিরক্ত সাধারণ মানুষ, উদ্বেগ জমেছে সরকারেও। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আজ বুধবার বিকেলে বিশেষ বৈঠক ডেকেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মোবাইল কোর্ট ও উচ্চহারে জরিমানা করেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে গণপরিবহনের মালিক ও শ্রমিক পক্ষগুলোকে বৈঠক ডাকা হয়েছে।

গত ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন খোলার অনুমতি দেয় সরকার। ঈদুল আজহা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি ভালোই মানা হয়েছে। কিন্তু ঈদের শেষে সরকারি অফিস পুরোপুরি খুলে দেওয়ার পর থেকে গণপরিবহনে শারীরিক দূরত্ব মানার নিয়ম ভাঙা হচ্ছে। যখন যাত্রী কম তখন নিয়ম মানা হচ্ছে। যাত্রী বেশি পেলেই ভাঙা হচ্ছে নিয়ম। নিয়ম ভঙ্গ করলেও ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ঠিকই।

যাত্রীদের ভাষ্য, সরকার সব কিছু খুলে দিলে গণপরিবহনে ভিড় হবেই। তাহলে বাড়তি ভাড়া উঠিয়ে দিলেই তো হয়। বিআরটিএর পক্ষ থেকেও নিয়ম না মানার বিষয়টি উল্লেখ করে গত ১০ আগস্ট পুনরায় স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানার কথা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছিল। এর পরও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার গতকাল মঙ্গলবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গকারীদের প্রতিদিন জরিমানা করা হচ্ছে। আশা করি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।’ আজকের বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, মানুষ আগের চেয়ে বাইরে বেশি বের হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করে আরো কী করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে গণপরিহন ও ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল চললেও পাঠাও, উবারের মোটরসাইকেল সার্ভিস বন্ধ রেখেছে বিআরটিএ। যাত্রী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পাঠাও বাইক সার্ভিস চালু করা সময়ের দাবি। এখন যেভাবে মোটরবাইক চলছে এতে যাত্রীরা নিরাপদ নন। রাইড শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে চললে মহামারির সময় আয়ের সংস্থান হবে, যাত্রীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।’ বাইক সার্ভিসের বিষয়ে বিআরটিএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।’ তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাইক সার্ভিসের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ আলাদা কোনো নির্দেশনা দেবে না, বিআরটিএই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আরবান ট্রান্সপোর্ট) নীলিমা আক্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, বাইক সার্ভিস বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক নির্দেশনার প্রয়োজন নেই। বিআরটিএ ইচ্ছা করলে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা