kalerkantho

মঙ্গলবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৭ । ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৪ সফর ১৪৪২

সবিশেষ

ঝুঁকিতে আফ্রিকার সংরক্ষিত বনাঞ্চল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১১ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝুঁকিতে আফ্রিকার সংরক্ষিত বনাঞ্চল

আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের বনাঞ্চল মালা মালা হলো বিশেষ সাফারি এলাকা। প্রতিবছর সেখানে হাজারো পর্যটক যায়। তবে করোনা মহামারিতে লকডাউনের পর থেকে মানুষের আনাগোনা ছিল না। আর এই সুযোগ নেওয়ার অপেক্ষায় থাকে সংঘবদ্ধ শিকারিরা। এই পরিস্থিতিতে দিনভর টহল দিতে হচ্ছে ফিল্ড রেঞ্জারদের। এমনকি প্রাণীদের সুরক্ষা দিতে জঙ্গলে লুকিয়েও থাকতে হচ্ছে তাঁদের।

ফিল্ড রেঞ্জার উবিসি বলেন, ‘মহামারির কারণে অনেক মানুষের কাজ নেই। তাদের টাকাও নেই, তারা ক্ষুধার্ত। আমাদের আশঙ্কা, তারা জঙ্গলে ঢুকে মাংসের জন্য প্রাণী হত্যা করতে পারে। প্রাণীরাও বুঝতে পারে যে কিছু নিশ্চয়ই বদলেছে। গাড়ি ও পর্যটকের শব্দ নেই। অনেক প্রাণী লোকালয়ের লজ্জা ভেঙে ক্যাম্পের আরো কাছে চলে আসে।’

মালা মালা সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পরিচালক ভুসি এমপান্ডজা। লকডাউনের পর তিনি প্রধান তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্বও পালন করতে থাকেন। ক্যাম্পে তিনি রেঞ্জারদের প্রাণীর চলাফেরা সম্পর্কে অবহিত করেন।

সংরক্ষিত বনটিতে ১৮০ জন কর্মী রয়েছেন, যাঁদের অনেকেই এই এলাকার বাসিন্দা। তবে লকডাউনের কারণে কর্মীর চাহিদাও কমে যায়। কমে যায় আয়। এঁদের বেশির ভাগকেই ঘরে ফিরে যেতে হয়।

ভুসি এমপান্ডজা বলেন, ‘এমনটা কত দিন চলবে তা কেউ জানে না। তাদের ক্ষেত্রেও তাই। তারা এতটাই বিচলিত যে পরে কাজে না-ও ফিরতে পারে। ক্যাম্পে যারা আছে তাদের জন্য তো বিষয়টি আরো খারাপ। যদি কম্পানি ঠিকমতো চলতে না পারে, তাহলে হয়তো বন্ধই হয়ে যাবে। নিজেদের সবার তো বটেই, কতগুলো পরিবারের খাবারের জোগান দিই আমরা।’

ভুসি তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে প্রতিদিন অনলাইনে যোগাযোগ রাখেন। তাঁরা জরুরি তহবিল তৈরির চেষ্টা করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাঁদের কর্মচারীরা কিছু কিছু বেকার ভাতাও পেয়েছেন, যাতে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকতে পারেন। সূত্র : ডয়চে ভেলে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা