kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ধর্ষণের আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

পরিবারের দাবি, তুলে নিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

২২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে




ধর্ষণের আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

রাজশাহীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার আসামি ও ‘মাদক কারবারি’ এখলাস উদ্দীন (২০) র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। র‌্যাবের ভাষ্য, গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে জেলার পুঠিয়া উপজেলার পীরগাছা গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এ ঘটনা ঘটে।

তবে পরিবারের দাবি, এখলাসকে গত ৪ জুলাই ঢাকার ফতুল্লা থেকে আটক করেছিল র‌্যাব। আর তিনি মাদক কারবারেও জড়িত ছিলেন না, রিকশা চালাতেন।

এখলাস পুঠিয়া উপজেলার গণ্ডগোহালী গ্রামের মো. কাশেমের ছেলে। তিনি তাঁর সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার আসামি। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, একটি ওয়ান শ্যুটার গান ও ৪৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, এখলাস মাদক কারবারি ছিলেন। মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে মঙ্গলবার ভোরে র‌্যাব তাঁকে আটক করার চেষ্টা করলে তিনি গুলি চালান। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালালে এখলাস গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে পুঠিয়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে এখলাসের মামা জিন্নাত আলী বলেন, তাঁর ভাগ্নেকে র‌্যাব গত ৪ জুলাই ঢাকার ফতুল্লা থেকে আটক করে ক্রসফায়ারে দিয়েছে।

পুঠিয়া থানার ওসি রেজাউল ইসলাম জানান, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই ছাত্রী তার ভগ্নিপতি উপজেলার গণ্ডগোহালী গ্রামের এখলাসের বাড়িতে যায়। সেদিন রাতে এখলাস মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। পরদিন মেয়েটি রামজীবনপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরে আসে। পরে বিষয়টি বড় বোনকে জানায়। এ নিয়ে গ্রামে সালিস-বৈঠকও হয়। গত ৯ এপ্রিল দুপুরে মেয়েটি লোকলজ্জায় ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনার পর মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে এখলাস ও তাঁর মা-বাবার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনার দুই মাস পেরিয়ে গেলেও আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় এর প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মেয়েটির বাবা। গত ১০ জুন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে তিনি বিচারের আশায় মেয়ের ছবিসংবলিত একটি ব্যানার নিয়ে একাই দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা