kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীকে অপহরণ, ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

► ফুলবাড়িয়ার ভুক্তভোগীকে মধুপুর জঙ্গলে ফেলে যান অভিযুক্ত যুবক
► চট্টগ্রামে দুই শিশু ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীকে অপহরণ, ছয় দিন আটকে রেখে ধর্ষণ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এক নারীকে ভালুকা থেকে উঠিয়ে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিয়ে ছয় দিন আটক রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী নারী। মামলায় ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইত গ্রামের বাবুলের বাজার এলাকার রবিউল্যা আকন্দের ছেলে উজ্জ্বলকে (৩৭) আসামি করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রামের ব্যাংক কলোনিতে দুই শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি সাইফুল ইসলামকে (২৪) মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে মহানগরের ইপিজেড থানার পুলিশ। সাইফুল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের মো. ফিরোজ মিয়ার ছেলে।

নির্যাতিত নারী জানান, তাঁর স্বামী প্রবাসে থাকেন। সেখান থেকে তিনি বাবুলের বাজার এলাকার  পূর্বপরিচিত উজ্জ্বলের বিকাশের দোকানে স্ত্রীর জন্য টাকা পাঠাতেন। পরে সেই টাকা উজ্জ্বলের দোকান থেকে নিয়ে আসতেন ওই নারী। এই সূত্র ধরে উজ্জ্বল তাঁকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁর দুই শিশুসন্তানকে হত্যার হুমকি দেন এবং স্বামীর পাঠানো দেড় লাখ টাকা তাঁকে না দিয়ে আটকে রাখেন উজ্জ্বল। একপর্যায়ে অতিষ্ঠ ওই নারী স্বামীর সঙ্গে কথা বলে গত ১২ জুন ভালুকার কাঁঠালী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে চলে আসেন। ২ জুলাই সকালে উজ্জ্বল পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ফোনে তাঁকে (নারী) ভালুকার মল্লিকবাড়ি মোড় এলাকায় ডেকে আনেন। এরপর তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে গোপালপুরের নন্দনপুরে এক নারীর বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। ৮ জুলাই তাঁকে মধুপুরের জঙ্গলে ফেলে রেখে চলে যান উজ্জ্বল। পরে তিনি জঙ্গল থেকে বের হয়ে ফুলবাড়িয়ায় যান। কিন্তু উজ্জ্বলের লোকজন তাঁকে জোর করে ভালুকায় পাঠিয়ে দেন।

ভালুকা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন কালের কণ্ঠকে জানান, এ ঘটনায় আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গতকাল বুধবার ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে মঙ্গলবার বিকেলের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু সালেম মো. নোমানের আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠান আদালত।

ইপিজেড থানার ওসি মীর মো. নুরুল হুদা কালের কণ্ঠকে বলেন, এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা করেন একটি শিশুর বাবা।ধ

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা