kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

সব কিছু চরম এক অস্থিরতায় ডুবে গেছে

জাতীয় অধ্যাপক, ডা. এম এ মালিক (ব্রি. অব.)

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সব কিছু চরম এক অস্থিরতায় ডুবে গেছে

‘আমার দীর্ঘ জীবনে এই প্রথম একটানা এত দীর্ঘ সময় বাসায় কাটাচ্ছি। একজন সুস্থ মানুষের জন্য এটাই অস্বাভাবিক। একটা ভাইরাস পুরো বিশ্বকে সব কিছু থেকে স্থবির করে দিল। মানুষের জীবনযাপনের চিরায়ত নিয়মের পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলল। ভাবতেও অবাক লাগছে। এটাই সত্যি, এটাই এখন বাস্তব। আর এই বাস্তবতা নিয়ে মানুষের গভীরভাবে ভাবনার সময় এসেছে। বিত্ত-বৈভব কোনো কিছুই রক্ষা করতে পারছি না। বিশ্বের মোড়ল দেশগুলো থেকে শুরু করে বিজ্ঞান প্রযুক্তির সর্বোচ্চ দেশগুলো কুপোকাত। কতশত মানুষ মারা গেল—যাদের কোনো কিছুরই অভাব ছিল না, তবু তাদের বাঁচানো যায়নি। চরম এক অস্থিরতায় ডুবে গেছে সব কিছু।’ করোনাকাল নিয়ে কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জাতীয় অধ্যাপক (ব্রি. অব.) ডা. এম এ মালিক।

তিনি বলেন, ‘এমন ব্যতিক্রম ও বিস্ময়কর পরিস্থিতির মধ্যে আমি যে বাসায় একদম বসে থাকি তা কিন্তু নয়। অফিসের কাজ বাসায় বসে করি। নিয়মিত বিভিন্ন ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অংশ নেই। যতটা সম্ভব বুদ্ধি-পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে তেমনটি কিন্তু দেখতে পাচ্ছি না বিশ্বের কোথাও। সবাই হিমশিম খাচ্ছে। আশার আলো তেমন কিছু নেই এখন পর্যন্ত।’

জাতীয় এই অধ্যাপক বলেন, ‘যতটুকু অবসর কাটানোর চেষ্টা করি সেই সময়টুকু মাথার ভেতরে ঘুরতে থাকে বর্তমান অস্বাভাবিক পরিস্থিতির নানা দিক। টেলিভিশন দেখি; বিশ্ব ও বাংলাদেশের বিভিন্ন খবরাখবর নেওয়ার চেষ্টা করি। বই পড়ি। আর নিজেও এই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে একটি বই লিখছি।’ 

ডা. এম এ মালিক বলেন, ‘তবে সব কিছুর মধ্যেই আমার একটি বড় উপলব্ধি হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার শক্তির ওপর সব কিছু নির্ভর করছে। কখন কোথা থেকে কী হয়ে যাবে কেউ কিছু করতে পারবে না। তাই সৃষ্টিকর্তার ওপর বিশ্বাস রাখাটাই সবচেয়ে বড় একটি মন্ত্র হওয়া উচিত সবার জন্য। সঙ্গে নিজের কৃতকর্ম, নিজের ভাবনাগুলো যাতে মঙ্গলময় হয়—এখন সেই চিন্তার হিসাব মিলানোর সময়।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা