kalerkantho

মঙ্গলবার  । ২০ শ্রাবণ ১৪২৭। ৪ আগস্ট  ২০২০। ১৩ জিলহজ ১৪৪১

বগুড়ার আরডিএ ডিজির মৃত্যু

চলে গেলেন এরশাদ ট্রাস্ট চেয়ারম্যানও

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, রাজশাহী ও বগুড়া   

১২ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বগুড়ার আরডিএ ডিজির মৃত্যু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর (অব.) খালেদ আক্তার (৬২) মারা গেছেন। গতকাল শনিবার সকালে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। একই দিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম।

এইচ এম এরশাদের বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাস্টের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ বলেন, গতকাল সকাল ৬টার দিকে সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদ আকতার মারা যান। গত কয়েক দিন ধরে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। তিনি জানান, খালেদ আখতার স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আসর জানাজা শেষে সেনানিবাসের মানিকদি কবরস্থানে তাঁর লাশ দাফন করা হয়।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, গত ২২ জুন বগুড়ার টিএমএসএস মেডিক্যালে নমুনা দেন অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম। পরদিন রিপোর্টে তাঁর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এরপর তিনি বগুড়াতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় গত ২৯ জুন তাঁকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকাল ৯টায় তিনি মারা যান।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবদুল জলিল বলেন, আমিনুল ইসলাম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের অষ্টম (১৯৮৬) ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে তিনি অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পান। এরপর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি বগুড়া আরডিএতে মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তিনি জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিভাগীয়, জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন পক্ষ থেকে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি পাবনায় পাঠানো হয়।

বগুড়া আরডিএর সহকারী পরিচালক নুশরাত জাহান জানান, আমিনুল ইসলাম কর্মরত অবস্থায়ই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন। এরপর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে পরদিন তিনি রাজশাহীতে তাঁর পরিবারের কাছে চলে যান। তাঁর বড় ছেলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সম্প্রতি তিনি উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ‘নিয়ন্ত্রণাধীন দপ্তর/সংস্থা’ কাটাগরিতে ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০১৯-২০’ অর্জন করেন।

 

মন্তব্য